আনোয়ার হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ | মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট | ৫৪ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
একসময় ভূমি অফিস মানেই ছিল সাধারণ মানুষের হয়রানি আর দালালদের দৌরাত্ম্য। তবে এই চিরাচরিত দৃশ্য পুরোপুরি পাল্টে দিয়েছেন গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালি ইউনিয়ন ভূমি অফিস। সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা বিজয় কুমার বর্মন এর সততা, আন্তরিকতা ও সময়োপযোগী পদক্ষেপে এখন সেবাগ্রহীতারা কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই সরাসরি তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন।
ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতায় নাকাল প্রান্তিক কৃষকদের জন্য এই কর্মকর্তা যেন এক স্বস্তির নাম। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাদিয়াখালি ভূমি অফিসে দালালদের কালো ছায়া সম্পূর্ণভাবে দূর হয়েছে। এখন সরকারি নিয়ম ও নির্ধারিত ফির বিনিময়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হচ্ছে নামজারি (মিউটেশন), জমাভাগ, এবং খতিয়ান সংশোধনের কাজ। এছাড়া সরকারি কোষাগারে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের ক্ষেত্রেও ডিজিটাল পদ্ধতির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেবাপ্রত্যাশীরা জানান, অফিসে প্রবেশ করার পর থেকে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আচরণ অত্যন্ত আন্তরিক। যেকোনো জমির খতিয়ান বা রেকর্ডপত্র যাচাই-বাছাইয়ে কোনো জটিলতা থাকলে তা অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে একদিকে যেমন মানুষের আইনি জ্ঞান বাড়ছে, অন্যদিকে সময় ও অর্থের সাশ্রয় হচ্ছে।
পুরো গাইবান্ধা সদর উপজেলার ভূমি সেবায় যে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, তার পেছনে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর বলিষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতায় সামগ্রিক ভূমি সেবায় জেলাটিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। বাদিয়াখালি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এই ধারাবাহিক সাফল্য ও সততা অন্যান্য ইউনিয়ন অফিসের জন্যও অনুকরণীয় হয়ে উঠেছে।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com