নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | ৫৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
আজ শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যাংকিং, ব্যবসা, সংবাদ, সরকারি সেবা থেকে শুরু করে নাগরিকের মতপ্রকাশ—সবকিছুই ইন্টারনেটনির্ভর। একজন মানুষ যদি ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে, তবে সে ধীরে ধীরে আধুনিক সমাজ ও রাষ্ট্রীয় সেবা থেকে পিছিয়ে পড়ে। তাই খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতোই নিরাপদ ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেটকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে। বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে ইন্টারনেটকে নাগরিক অধিকারের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। কারণ ইন্টারনেট এখন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি জ্ঞান অর্জনের পথ, কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার।
বাংলাদেশেও ডিজিটাল উন্নয়নের কথা বলা হলেও এখনও অনেক গ্রামীণ এলাকায় দুর্বল নেটওয়ার্ক, উচ্চমূল্যের ডাটা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ইন্টারনেট বন্ধের কারণে মানুষ ভোগান্তিতে পড়ে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, ফ্রিল্যান্সার, সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। ইন্টারনেট বন্ধ মানে শুধু যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া নয়—এটি অর্থনীতি, শিক্ষা ও নাগরিক স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। তাই প্রয়োজন এমন নীতিমালা, যেখানে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা একসাথে নিশ্চিত হবে। একবিংশ শতাব্দীতে ইন্টারনেট বিলাসিতা নয়, প্রয়োজন। তাই সময়ের দাবি— “ইন্টারনেট হোক মৌলিক অধিকার, সবার জন্য নিরাপদ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার।”
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com