শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

‘একটি পয়সা দাও গো বাবু’ : জাগতিক মোহ পেছনে ফেলে মুক্তির সন্ধান

আনোয়ার হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ   |   শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৫৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

‘একটি পয়সা দাও গো বাবু’ : জাগতিক মোহ পেছনে ফেলে মুক্তির সন্ধান
৯৮

গাইবান্ধা শহরের ধুলোবালি আর ব্যস্ত রাস্তা যেন এক খোলা ক্যানভাস। সেখানে ‘একটি পয়সা দাও গো বাবু’ সুরের মর্মান্তিক আকুতি শুধুমাত্র ভিক্ষে চাওয়ার মাধ্যম নয়, বরং জাগতিক জীবনের প্রতি এক গভীর অভিমান ও পরমার্থিক মুক্তির প্রতীক। জীবনসংগ্রামে ক্লান্ত কিছু ভিক্ষুক এই কালজয়ী গানের মর্মার্থ হৃদয়ে ধারণ করেই প্রতিদিন অন্নের সন্ধানে ছুটে চলে।

শহরের রেলওয়ে স্টেশন, বাস স্ট্যান্ড, অলিগলিসহ জনবহুল মোড়গুলোতে তাকালেই দেখা মেলে অসংখ্য ভাগ্যহত মানুষের। মাথার ওপর কড়া রোদ কিংবা মুষলধারে বৃষ্টি—কোনোকিছুই তাদের দৈনন্দিন জীবিকার সংগ্রামকে থামাতে পারে না। পেটের ক্ষুধা নিবারণের জন্য তাদের প্রতিদিনের এই ছুটে চলা এক অন্তহীন যাত্রা। এই মানুষগুলোর কাছে দু’মুঠো অন্ন জোগাড় করাটাই যেন জীবনের সবচেয়ে বড় পরমার্থ বা লক্ষ্য।

অজয় ভট্টাচার্যের লেখা ও অনুপম ঘটকের সুরে “একটি পয়সা দাও গো বাবু” গানটি চিরকাল মানুষের আত্মমর্যাদার শূন্যতা ও বঞ্চনার কথাই তুলে ধরেছে। আধুনিকতার চাকচিক্যে ঢাকা এই পৃথিবীর প্রতি অভিমান থেকে জন্ম নেওয়া এই গানটির সুর যেন ভিক্ষুকদের হৃদয়ের অব্যক্ত কথাই বলে দেয়। ধনী-দরিদ্রের মাঝে আকাশ-পাতাল বৈষম্য পেরিয়ে তারা যে সামান্য ক’টি পয়সার জন্য হাত পাতে, তা কেবল তাদের শারীরিক ক্ষুধা মেটানোর জন্যই নয়, বরং এই জরাজীর্ণ ও বৈষম্যমূলক পৃথিবী থেকে মুক্তির এক নীরব আকুতিও বটে।

এই চরম বাস্তবতার মাঝেও অন্নহীন, বস্ত্রহীন মানুষগুলোর জীবন এক অন্তহীন লড়াই। তবুও, প্রতিকূল পরিবেশের ভেতর দিয়ে বেঁচে থাকার এই আকুতি ও তাদের প্রতিদিনের ছুটে চলা মানবতার এক অবিচ্ছেদ্য চিত্র হয়ে ফুটে ওঠে। গান ও জীবনের এই মেলবন্ধন যেন তাদের কাছে এক জীবন্ত দর্শন।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com