আব্দুস সালাম মোল্লা: | মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ | প্রিন্ট | ৮১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা প্রশাসন স্থবির হয়ে পড়েছে।উপজেলার মৎস্য অফিসার না থাকায় সদরপুরে উপজেলা মৎস্য অফিসার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কারনে প্রকাশ্য অসাধু জেলের নির্বিঘ্নে মা ইলিশ নিধন করে চলছে।
১৩ই অক্টোবর থেকে ৩রা নভেম্বর থেকে মা ইলিশ সংরক্ষণ সরবরাহ বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন একাধিক টিম থাকলেওসদরপুরের মৎস্য অফিসার নামমাত্র প্রতি সপ্তাহ একদিন তাতে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিশাত ফারাবি নামমাত্র মোবাইল পরিচালিত করে।এতে বিপুল পরিমাণ মা ইলিশ হর হামেশাই নিধন হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমাণ জাতীয় ইলিশ শূন্য হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক আব্দুস সালাম মোল্লা সদরপুরের মৎস অফিসার কে একাধিক মোবাইল কোট পরিচালনার কথা বললে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি নিশাত ফারাবি ওউপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল বিন করিম উপেক্ষা করেইচলছে।২৯ শে অক্টোবর উপজেলার আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়েএ বিষয়ে সাংবাদিক আব্দুস সালাম পুলিশ প্রশাসন উপজেলা থেকেও পরিচালনা করতে পারে না তিনি মোবাইল করে সময় দিতে পারেন না পারায়।
এতে ঐ সাংবাদিক একাধিক ফোন দিলে ফোন কলটি ব্ল্যাকলিস্টে রাখেন চরভদ্রাসন উপজেলা সহকারী কমিশনার নিশাত ফারবি। চরভদ্রাসন উপজেলায় হরিরামপুর চর এলাকা ব্যাপক মা ইলিশ হাট বাজারগুলোতে বেচাকেনা দেখা যাচ্ছে। প্রশাসনের সেদিকে কোন গ্রুপের নেই। হরিরামপুর চর এলাকায় সরকারি বন বিভাগের৬৫হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার ৯৭ হাজার বৃক্ষ বন থেকে প্রভাবশালী মহল প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে নির্বিঘ্নে বন উজার করছে।উপজেলার বিভিন্ন প্রোগ্রাম গুলোওডিলে ঢালায় পালিত হচ্ছে।
পেঁয়াজের দাম উর্ধ্বমুখী এতে প্রশাসনের কোন খবরদারির অভাব হাট বাজারগুলোতে মনিটরিং অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিভিন্ন সেবা প্রার্থীদের সেবা প্রাপ্তিতে শিকার হচ্ছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঠিকমতো অফিসে পাওয়া যাচ্ছে না।
জন্ম নিবন্ধন জন্ম নিবন্ধন জন্ম নিবন্ধন সংশোধনীতেও হয়রানীর শিকার হচ্ছে সেবা প্রার্থীরা। বিভিন্ন প্রকল্পরে হরিলট চলছে। চর হরিরামপুর ইউনিয়নের জাইকা ও ওয়াল ভিশনের নিম্নমানের ইটদিয়ে কাজ করছে সেদিকে প্রশাসন কোনো সুদৃষ্টি নেই। অফিসার কে পাওয়া যায় না। এ ব্যাপার উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে মা ইলিশ নিধনে উপজেলা প্রশাসনেরওপুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে তুললে বিভিন্ন চেয়ারম্যান গন বলেন মা ইলিশ নিধন হচ্ছে না বলে জানান, অথচ হর হামেশাই প্রকাশ্য দিনের বেলায় দেখা যাচ্ছে মাইলি নিধন হচ্ছে।
এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার অভিযোগ করলে তিনি জানান, একাধিক টিম পরিচালিত হয়ে মা ইলিশ নিধনকারীদের আইনের আওতায় এনেজাল আগুনে পুড়ে বিনষ্ট মা ইলিশ মাছ বিভিন্ন এতিমখানা মাদ্রাসায় বিতরণ করা হচ্ছে।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com