শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

জলঢাকায় দুই মেশিনে বালু উত্তোলন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাইলেন স্থানীয়রা

জলঢাকা ( নীলফামারী) প্রতিনিধি:   |   বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১০০ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

জলঢাকায় দুই মেশিনে বালু উত্তোলন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাইলেন স্থানীয়রা

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ও গোলমুন্ডা ইউনিয়নের কুঠিপাড়া ও নাড্ডাপাড়া এলাকায় বুড়িতিস্তা নদী থেকে দুটি মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, গত চার দিন ধরে ওই এলাকায় মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর তীরবর্তী জমি ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে নদীর ওই এলাকায় পাশাপাশি দুটি মেশিন দেখা যায়। সেখানে বালু উত্তোলনের কার্যক্রম চলছিল।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একটি মেশিনের সঙ্গে ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের কুঠিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোস্তফার সম্পৃক্ততার কথা। অপর মেশিনটির সঙ্গে আলমগীরের সম্পৃক্ততার কথাও স্থানীয়ভাবে বলা হয়।

বালু উত্তোলনের বিষয়ে মোস্তফার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি মেশিন বসানোর কথা স্বীকার করেন। অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, অন্য একজন মেশিন চালাচ্ছে দেখে আমিও মেশিন লাগিয়েছি। তবে এ কাজের জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।

ঘটনাস্থলে কাজ করা শ্রমিকরা জানান, মোস্তফা ও আলমগীর মেশিন এনে দিয়েছেন এবং তাঁরা মেশিন চালানোর কাজ করছেন।

নদীর তীরবর্তী জমির মালিক রব্বানী বলেন, মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে তাঁদের জমি ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, এখানে আমাদের জমি রয়েছে। নদী থেকে মেশিন দিয়ে বালু তোলার কারণে আমরা বর্তমানে ভাঙনের হুমকির মধ্যে আছি। এমনিতেই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত। এখন এভাবে বালু তোলা হলে আমাদের জমি আরও ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রব্বানী বলেন, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিলে আমাদের জমিটা হয়তো রক্ষা করা সম্ভব হবে।

অপর মেশিনটির সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে বক্তব্য জানতে আলমগীরের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি সম্পর্কে ডিমলা নৌ পুলিশ ইন্সপেক্টর নুরুজ্জামানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ডাউয়াবাড়ী ও গোলমুন্ডা ইউনিয়নে এর আগেও সেখানে মাঝে মাঝে মেশিন বসানো হয়েছিল। তখন আমাদের লোকজন গিয়ে সেগুলো সরিয়ে দিয়েছিল। এ ধরনের কার্যক্রম নৌ পুলিশ সমর্থন করে না। আমরা চাই, নদীতে কেউ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে না পারে। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি যেহেতু আমাদের জানানো হয়েছে, আমরা ব্যবস্থা নেব। আমি ইউএনও স্যারের সঙ্গে কথা বলব। এরপর সংশ্লিষ্টদের নিয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com