শফিকুল ইসলাম বাদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : | বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | ৮১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি ও লিফলেট বিতরণ করেছে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টায় জেলা শহরের গোকর্ণঘাট বাজার, তিতাস নদীর ঘাট এলাকা, স্থানীয় জেলে পল্লীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ সময় ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকা, নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার না করা এবং পরিবেশবান্ধব মাছ চাষে উৎসাহিত করার আহ্বান জানানো হয়।
কর্মসূচিতে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহামেদ, সোহেল রানা ভূইয়া, মাহফুজুর রহমান পুষ্প, আব্দুল হেকিম, বাচ্চু মিয়া, মোশারফ হোসেন, হারুন মিয়া, মোবারক মিয়া, আক্তার হেসেনসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, ডিমওয়ালা মা মাছ ও পোনা মাছ সংরক্ষণ ছাড়া দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব নয়। তিনি বলেন, মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। এ লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তর নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় জেলেরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা পেলে তারা সরকারি নির্দেশনা মেনে চলবেন। তবে তারা অভিযোগ করেন, এখনও কিছু অসাধু জেলে পোনা মাছ আহরণ ও বিক্রি করছে, যা দেশীয় মাছের উৎপাদনের জন্য ক্ষতিকর। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।
তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহামেদ বলেন, মৎস্যসম্পদ দেশের অর্থনীতি ও পুষ্টি নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি। তাই তিতাস নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয়ে মাছ ধরার ক্ষেত্রে পোনা মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকতে হবে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা আরও জোরদার করা জরুরি।
বিশেষ দ্রষ্টব্য ভাইজান এই ছবিটি দিয়ে নিউজটি পুনরায় দিয়ে দেন, কৃতজ্ঞ থাকবো
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com