শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

নির্ধারিত মূল্যেই মিলছে সার, স্বস্তিতে মেলান্দহের কৃষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৫৮০ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

নির্ধারিত মূল্যেই মিলছে সার, স্বস্তিতে মেলান্দহের কৃষকরা

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার সারের সরবরাহ ও কঠোর মনিটরিংয়ের ফলে কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কৃষকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী সার পেয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন। এদিকে ডিলাররাও সরকার নির্ধারিত মূল্যে নিয়ম মেনে কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করছেন। সার পেয়ে খুশি স্থানীয় কৃষকরা।

উপজেলার কৃষি অফিসের তথ্য মতে, চলতি বছরে মেলান্দহ উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে ১৭ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষাবাদ করা হয়েছে। বন্যা না হওয়া ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় অন্যান্য বছরের তুলনায় ব্যাপক রোপ-আমন ধান চাষ করা হয়েছে। ধানের পাশাপাশি শীতকালীন সবজি চাষে ব্যাস্ত সময় পার করেছেন কৃষকরা। তবে চাষাবাদের অন্যতম উপকরণ সার নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলো এই উপজেলার কৃষকরা। সকল সংকট কাটিয়ে কৃষি অফিসের তদারিকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে কৃষকদের মধ্যে সার সরবরাহ করা হচ্ছে।

উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নে কৃষক মো. এবাদুল ইসলাম জানান, আগে সার পাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়ায়ে থাকতে থাকতে দিন শেষ হইত, অনেক সময় গোডাউনে তালা পাইতাম। বেশি দাম দিয়াও সার মিলত না। এখন কোনো ঝামেলা ছাড়াই সরকারি দামে ঠিকমতো সার পাইতাছি। ফসলের জমিতে সময়মতো সার দিতে পারায় আশা করি ফলন ভালো হবে।

আরেক কৃষক আব্দুস ছাত্তার মিয়া বলেন, সরকার নির্ধারিত দামেই সার কিনতে পারতাছি, আগের মতো আর বাড়তি টাকা গুনতে হয় না। কৃষি অফিসের নির্দেশে ডিলাররাও ঠিকমতো সার দিচ্ছে।

সরকার নির্ধারিত মূল্যে স্বচ্ছতার সাথে সার বিতরণের কথা জানিয়েছেন সার ডিলাররা। বিক্রয় প্রতিনিধি মাসুদুর রহমান বলেন, কৃষি অফিসের সার্বিক নির্দেশনায় সঠিকভাবে কৃষকদের মাঝে সার বিতরণ করা হচ্ছে। কোন ধরনের সার সংকটের কথা কৃষকরা বলছে না। সারের জন্য কৃষকদের মধ্য কোন ধরনের শাঙ্কাও দেখছি না।

উপজেলার বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার মেসার্স এল আর ট্রেডার্সের স্বত্তাধিকারী লুৎফর রহমান জানান, সরকার যে পরিমাণ বরাদ্দ দিচ্ছে তাতে করে কৃষকদের চাহিদা ভালভাবেই পুরণ করা যাচ্ছে। আমাদের কাছে সারের পর্যাপ্ত বরাদ্দ ও মজুত রয়েছে। কোনো কৃষকের যেন সার নিয়ে হয়রানি হতে না হয়, সেদিকে আমরা সজাগ দৃষ্টি রাখছি এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যেই প্রতি বস্তা সার বিক্রি করছি।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আমানুল্লাহ বলেন, মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি ও কৃষকদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিদিন কাজ করছি। নিয়মিত ব্লক ভিজিট এবং কৃষকদের সার ও সারের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। বর্তমানে সারের কোন সংকট নেই।

আরেক উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন জানান, আমরা মাঠ পর্যায়ে সবসময় তদারকি করছি যাতে কোনো ডিলার কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে বা নির্ধারিত মূল্যের বেশি দাম রাখতে না পারে। কৃষকরা যাতে তাদের জমির পরিমাপ অনুযায়ী সঠিক সময়ে ও সঠিক মূল্যে সার পান, তা আমরা নিশ্চিত করছি। বর্তমানে কৃষকদের মধ্যে কোনো অসন্তোষ নেই।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুর রৌফ জানান, মেলান্দহ উপজেলায় সারের কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই। সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সারের বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং তা সঠিকভাবে মাঠ পর্যায়ে বণ্টন করা হচ্ছে। আমরা নিয়মিত মনিটরিং টিম পরিচালনা করছি যাতে নির্ধারিত মূল্যের বাইরে কেউ সার বিক্রি করতে না পারে। কৃষকদের উৎপাদনে সহায়তা করতে আমাদের কৃষি বিভাগ সবসময় পাশে রয়েছে।।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com