শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

নড়াইলের লোহাগড়ায় নারী নির্যাতন মামলা পুলিশের বিরুদ্ধে আসামী না ধরার অভিযোগ

নড়াইল প্রতিনিধি:   |   বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

নড়াইলের লোহাগড়ায় নারী নির্যাতন মামলা পুলিশের বিরুদ্ধে আসামী না ধরার অভিযোগ
৬১

মামলার বাদী কর্তৃক পুলিশকে আসামী সনাক্ত করে দেওয়ার পরও আসামীকে আটক না করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এজাহার ও মামলার বাদী সূত্রে জানা যায়, বসতবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ঈশানগাতী গ্রামের মিলন মোল্যার স্ত্রী শিউলি বেগমকে গত ২৮ জুন, সন্ধা সাড়ে ৭টার দিকে তার বাড়িতে প্রবেশ করে একই গ্রামের ইকলাজ মোল্যার ছেলে শামীম মোল্যা (মশিয়ার) ও তরিকুল মোল্যার নেতৃত্বে নাঈম, সজিব, শান্ত ও রিফাত মোল্যা বেধড়ক মারপিট করে গুরুত্বর আহত করে। প্রতিবেশিরা আহত অবস্থায় শিউলি বেগমকে উদ্ধার করে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এঘটনায় শিউলি বেগম বাদী হয়ে ওই দিন রাতে লোহাগড়া থানায় মামলা করতে গেলে রহস্যজনক কারনে মামলা রেকর্ডভূক্ত না করে টালবাহানা করে ফিরিয়ে দেয় ওসি। শিউলি বেগম মামলাটি রেকর্ডভূক্ত করাতে থানায় একাধিকবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে গত ১লা জুলাই নড়াইলের বিজ্ঞ আদালতের সাহায্য প্রার্থনা করেন। বিজ্ঞ আদালত শিউলি বেগমের জবানবন্ধি ও মারপিটের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে লোহাগড়া থানার ওসিকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ প্রদান করেন। আদালতের উক্ত নির্দেশে গত ৩রা জুলাই লোহাগড়া থানা পুলিশ মামলাটি রেকর্ডভূক্ত করে এসআই কুমারেশ বিশ্বাসকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত করেন। যার মামলানং ০৪।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গত ৪জুলাই ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামীদের কাছেই নাম ঠিকানা যাচাই করার সময় শিউলি বেগম আসামী তরিকুল, শামীম (মশিয়ার), রিফাত, সজিব ও শান্ত মোল্যাকে সনাক্ত করে দিলেও তারা ক্ষমতাশীন দলের নেতা-কর্মী ও মামলার প্রধান আসামী শামীম ও তরিকুলের বড় ভাই বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ থানায় কর্মরত এসআই মিজানুর রহমানের পরিচয় দেওয়া এবং তার প্রভাব থাকায় তাদের গ্রেফতার করেন নাই বলে তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বাদী অভিযোগ করেন।

বাদী আরও অভিযোগ করে বলেন, এস আই মিজানুর রহমান ছুটি নিয়ে বাড়িতে এসে বাদীকে মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন প্রকার হুমকি ও মিথ্যা মামলার ভয়ভীতি দিচ্ছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুমারেশ বিশ্বাস বলেন, আসামীদের নামের সঠিকতা না থাকায় গ্রেফতার করা সম্ভব হয় নাই। নাম যাচাই করতে গেলে সবাই দৌড়ে পালিয়ে যায়।

লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: আব্দুর রহমান’র কাছে এ বিষয়ে জানার জন্য সরকারী মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেন নাই।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
.
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com