আনোয়ার হোসেন: | শুক্রবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | ১০৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
শিক্ষাই যদি জাতির মেরুদণ্ড হয় তবে প্রাথমিক শিক্ষা হলো এর মূল ভিত্তি। যদি তাই হয়, তবে পাঠদান ব্যাহত করে বিদ্যালয় মাঠে লোকসমাগম ঘটিয়ে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর পণ্য বিতরণ হয় কি ভাবে? এ প্রশ্ন সচেতন মহলের।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার গাইবান্ধা-বোনারপাড়া সড়কঘেষে বোনারপাড়ার প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত ডিমলা পদুমশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ে ৬ জন শিক্ষক দিয়ে চলে ১’শ ৩২ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান।
বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর আনুমানিক আড়াইটায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই বিদ্যালয়ের মাঠে অসংখ্য লোকের সমাগম। বিতরণ করা হচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এর আওতায় ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর পণ্য।
বিদ্যালয় চত্বরে মেসার্স তালহা এন্টারপ্রাইজ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা কার্ডে স্বাক্ষর দিয়ে পণ্যের মূল্য নিচ্ছেন। অপর দিকে, ট্যাগ কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে দীর্ঘ লাইন করে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষ থেকে উপকারভোগীদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে পণ্য। উপকারভোগীদের হৈ-হল্লায় বিদ্যালয়ের চত্বর সরগম। প্রধান শিক্ষক অফিসে বসে কাজ করছেন। এ অবস্থায় বিদ্যালয়টির অন্যান্য কক্ষে চলছিল পাঠদান। মাঠের এমন পরিস্থিতিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মনোযোগ হারিয়ে শ্রেণি কক্ষ ছেড়ে মাঠে ছুটা-ছুটি করছে। এতে করে শ্রেণি কক্ষগুলোতে পাঠদান ব্যাহত হলেও দেখার যেন কেউ নেই।
এ নিয়ে প্রধান শিক্ষক শাহ আলম সরকারের সাথে কথা হলে জানান, পাঠদান ব্যাহত হলেও আমার করার কিছুই নেই। আমি নিরুপায়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে পণ্য বিতরণ করতে দেয়া হয়েছে। তবে লিখিত কোনো অনুমোদন নেই।
বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে শুধু টিসিবি’র পণ্য নয়, অন্য কোনো কর্মসূচী পালন করতে দেয়া উচিৎ নয়। এমন মন্তব্য সচেতন মহলের।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com