সানজিদা লিমু | সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৪ | প্রিন্ট | ৬৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতামূলক সম্পর্ক তৈরির জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ও ম্যাভেরিক ইনোভেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। সোমবার (৭অক্টোবর) দুপুর ১২টায় পশুপালন অনুষদের ডিন অফিসের সম্মেলন কক্ষে পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ওই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়। বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড.এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, ম্যাভেরিক ইনোভেশনের দেখাদেখি আরো অনেক প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসলে কৃষক বা খামারিরাই লাভবান হবে। তারা তাদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য পাবে।

উপাচার্য আরো উল্লেখ করেন, বাকৃবির গবেষণাগারে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত ফলাফল মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ করতে না পারলে দেশের কোনো লাভ হবে না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জনগনের টাকায় পড়াশোনা করছে। এই টাকার সঠিক মূল্যায়ন তখনই হবে যখন শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত জ্ঞানকে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে ভ’মিকা রাখবে। একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা খুব সহজেই ওই সুযোগটি পেতে পারে। পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. বাপন ওই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অধ্যাপক অধ্যাপক ড. সচ্ছিদান্দন দাস চৌধুরী,বাকৃবির ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. খন্দকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, পশুপালন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো রুহুল আমিন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো হাম্মাদুর রহমান, ম্যাভেরিক ইনোভেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ড. কবির চৌধুরী। এসময় অধ্যাপক ড. সচ্ছিদান্দন দাস চৌধুরী বলেন, দেশের জন্য পশুপালন অনুষদের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মূল কাজ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দান করা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা।
সম্পূর্ণ গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান না হয়েও বাকৃবির গবেষকেরা দেশের কল্যাণে অভ’তপূর্ব অবদান রেখেছে। আজকে বাকৃবি ও ম্যাভেরিক ইনোভেশনের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে দেশই প্রকৃতপক্ষে উপকৃত হবে। কারণ একত্রিত হয়ে কাজ করায় গবেষণার মান বৃদ্ধি পাবে, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও সমাদৃত হবে। তবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রাণীর উৎপাদনমুখী গবেষণাকে এগিয়ে রাখার ইচ্ছার কথাও জানান তিনি।
ড. কবির চৌধুরী তার বক্তৃতায় বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাখাতে সামর্থ্য অনেক বেশি। তবে নলেজ শেয়ারিং, যৌথভাবে কাজ করা হলে সামর্থ্য আরো অনেক বেশি কিছু অর্জন করা সম্ভব। উল্লেখ্য, প্রাণী উৎপাদনের জন্য টেকসই প্রযুক্তির উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২০ সালে ম্যাভেরিক ইনোভেশন প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়।এই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্যই হলো একটি টেকসই ভবিষ্যতের জন্য অত্যাধুনিক গবেষণা ও উদ্ভাবন প্ল্যাটফর্মের বিশ্বনেতা হিসাবে আবির্ভাব হওয়া।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com