পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মাঝের খেয়াঘাট টু নুরাইনপুর খেয়া ঘাট নিয়ে “ ভোাগান্তিতে হাজারো মানুষ রাস্তা নয় যেন মরণফাঁদ ” শিরোনামে দৈনিক আমার বার্তা পত্রিকায় ও বেসরকারি টিভি চ্যানেল যমুনা টেলিভিশনে সংবাদ প্রকাশের পর দ্রুত সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। সড়ক সংস্কার হওয়ায় জনসাধারণের চলাচলের সুবিধা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা জায়, বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নে প্রবেশের একমাত্র রাস্তা ভরিপাশা গ্রামে অবস্থিত, নুরাইনপুর খেয়াঘাট থেকে ইউপির প্রানকেন্দ্র মমিনপুর বাজার পর্যন্ত দীর্ঘ ৭ কিমিঃ যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা এটি, এই সড়কের নুরাইনপুর খেয়া ঘাট থেকে মাঝের খেয়া নামক স্থান পর্যন্ত রাস্তার বেহাল দশা, আলোকী নদীর তীর ঘেঁষা এই সড়কের ৮০ — ১০ শতাংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে, রাস্তার পার্শ্বে থাকা বেশ কয়েকটি বাড়ীঘর নদীতে বিলীন হয়েছে। কোন ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারে না, একটু বৃষ্টি হলেই এ রাস্তা নিয়ে আর চলাচল করা যায় না। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, এ রাস্তার বেহাল দশা, ছোট—বড় থানাখন্দে পরিণত হয়েছে। অনেক জায়গায় রাস্তার দুধারের মাটি সরে গিয়ে রাস্তাগুলো ভেঙে পড়েছে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যানগাড়ি মোটরসাইকেল আরোহীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাগুলো ডুবে কাঁদা সৃষ্টি হয়। যার ফলে এ রাস্তা দিয়ে মানুষের পায়ে হেটে ও চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পরে। এনিয়ে গত ২ এপ্রিল দৈনিক আমার বার্তা পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর সড়কটি সংস্কার হওয়ায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাগব হয়েছে। সংবাদ প্রকাশের পর গত ২১ জুলাই থেকেই শ্রমিক দিয়ে সড়কটি সংস্কারের কাজ শুরু করেন কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক অপু।
সড়ক সংস্কার কাজ হওয়ায় সড়কে চলাচলকারী যানবাহন চালক, স্থানীয়দের এবং কেশবপুর ইউনিয়নের জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
স্থানীয় বাসিন্ধা নূরুল ইসলাম, মজিবর রহমান, সহ এলাকাবাসী জানান, পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর দ্রুত সড়কটি চেয়ারম্যান মাটি ফেলে সংস্কার করে দিয়েছে এতে করে আমাদের চলাচলের এখন সুবিধা হয়েছে, আমরা আনন্দিত।
কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক অপু বলেন — সড়কটি সংস্কারের পর ইউপিবাসি ও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের কষ্ট লাঘব হবে বলে আশা করি । সড়কগুলো দীর্ঘদিন বেহাল থাকায় তাদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুদের বর্ষায় অনেক কষ্ট করতে হয়েছে।
তিনি আরো জানান — টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিকল্পিত কাজের বিকল্প নাই। পরিকল্পিত কাজ বাস্তবয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাই।