ভারতের আকস্মিক বাঁধ খুলে দেওয়ায় বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা সৃষ্টির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার দিবাগত রাত ১২ টা ১৫ মিনিটের দিকে ‘বিজয়-২৪’ হল থেকে মিছিল বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে এসে শেষ হয় এরপর মূল ফটকের সামনে এসে বিক্ষোভ শুরু করে।

এসময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ‘অ্যাকশন টু অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘ভারতীয় দালালেরা, হুঁশিয়ার, সাবধান’। ‘ঢাকা না দিল্লি? ঢাকা, ঢাকা’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘বন্যায় যখন মানুষ মরে, আবরার তোমায় মনে পড়ে’ সহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভ শেষে শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবার(২২ আগস্ট) সকাল ১১ টায় আবারো বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয়।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী বায়েজিদ হোসেন বলেন, “১৯৭১ সালের পর থেকে নানান ভাবে ভারতীয় অপশক্তি আমাদের বাংলাদেশের মানুষের উপর নির্যাতন নিপিরণ চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বুলি একটাই তারা আমাদের ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছে, এটাকে হাতিয়ার বানিয়ে আমাদের এই স্বাধীন বাংলায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে অরাজকতা সৃষ্টি করছে।

তারই একটা প্রতিফলন হচ্ছে বর্তমান বাংলাদেশের বিভিন্ন নিচু অঞ্চলগুলো বন্যায় কবলিত। আজ আমরা বলতে চাই আমরা ৫ই আগষ্ট ভারতের গোলামদেরকে এই দেশ থেকে যেভাবে তাড়িয়ে দিয়েছি ঠিক সেভাবেই ভারতের সকল অপকর্মকে রুখে দেব ইনশাআল্লাহ।”

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আবেদ হোসেন বলেন, “চলমান বন্যা পরিস্থিতিতির জন্য ভারতই দায়ী তারা আমাদের সতর্ক বার্তা না দিয়ে ত্রিপুরার ডুম্বুর বাঁধ খুলে দেয়। ফলে আকস্মিক বন্যার পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করে- কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনীসহ আশপাশের এলাকা।

বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ঘর-বাড়ি, পথ-ঘাট। হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলা বিদুৎ বিচ্ছিন্ন ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এরই প্রতিবাদে আজ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করি।”

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}