নেত্রকোনার জেলার কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়নের ভূঁইয়াপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে জিন্নাতুল ইসলাম খোকন (২৫) এবং মোজাফরপুর ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের আসন আলীর ছেলে আলী হোসেনের (৪৫) তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলে ঢাকায় নিহত হয়।

জিন্নাতুল ইসলাম খোকন, গাজীপুরের নাউজুর হোসেন মার্কেট এলাকায় পরিবারের সাথে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। খোকন সেখানে বালুর গাড়িতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু ছাত্র আন্দোলনের কারণে কাজ বন্ধ থাকায় গত ৫ আগস্ট আন্দোলনে যোগ দেন এবং ঘটনার দিন গাজীপুরের বাসন থানা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে জয়দেবপুর সদর হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হলে ওইদিন রাতেই সেখানে মারা যান তিনি। খোকন বছর খানেক আগে বিয়ে করেছিলেন। তার স্ত্রী নয় মাসের অন্তঃসত্তা বলে জানায় তার পরিবারের লোকজন।

এছাড়া আলী হোসেন ঢাকার উত্তরা আজমপুর রেলস্টেশন এলাকায় রাস্তার পাশে বসে পান সিগারেট বিক্রি করতেন। তিনি গত ১৮ জুলাই দুপুরে নিখোঁজ হন। পরে উত্তরার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পরিবারের লোকজন আলী হোসেনের গুলিবিদ্ধ মরদেহের সন্ধান পান। আলী হোসেন তার স্ত্রীকে নিয়ে উত্তরা মুন্সি মার্কেট এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলে নিহত দুই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের হাতে শুক্রবার আর্থিক সহায়তা বাবদ প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেন।

কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমদাদুল হক তালুকদার। এ সময় উপজেলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আজিজুর রহমানসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}