গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় যৌথবাহিনী আটক করার পর মারা যাওয়া দুই ব্যক্তিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার ১২ই সেপ্টেম্বর রাতে অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাঘাটা থানার এসআই দীপক কুমার রায় বাদী হয়ে মামলাটি করেন বলে গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ইবনে মিজান জানান।

তিনি বলেন, “ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইটের বাড়িতে অস্ত্র আছে, এমন খবর পেয়ে যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। এ সময় মোশারফ হোসেন সুইটসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। মোশারফের বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে।”

মামলার আসামিরা হলেন- আটক করার পর মারা যাওয়া সোহরাব হোসেন আপেল ও শফিকুল ইসলাম। এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট, শাহাদত হোসেন ও রিয়াজুল ইসলাম।

এ প্রসঙ্গে গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইবনে মিজান বলেন, “পরবর্তীতে মৃত ওই ব্যক্তির নাম আসামি থেকে বাদ যাবে।”

এদিকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শাহাদত হোসেনকে (৪৫) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত দুইজনের মধ্যে ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায় গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আরেকজন রিয়াজুল ইসলাম রকি (২৮) বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

অপরদিকে মঙ্গলবার দুপুরে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে মারা যাওয়া সোহরাব হোসেনের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার বিকালে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে পারিবারিক কবরস্থানে সোহরাবের দাফন সম্পন্ন হয়।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}