‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ কে কেন্দ্র করে সাধারণ ছাত্র থেকে শুরু করে আপামর জনসাধারণের তীব্র আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ৫-ই আগস্ট আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হয়। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় বসলে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নানাবিধ মামলা হয়,অনেকে গ্রেফতার হয়,অনেকে দেশ ছেড়ে পালায়,অনেকে গা-ঢাকা দিয়ে আছে দেশেই।
অনেকে আবার রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের মুখোশও পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন,চাচ্ছেন নিজেদের একটা রাজনৈতিক আশ্রয়। এমনই একজন চসিকের ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ মামুন। এই সেই মামুন যিনি একাধারে ভুমিদস্যু ও টেন্ডার বাজ ছিলেন,আওয়ামী লীগের একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৪-ই আগষ্ট নিউ মার্কেট এলাকায় প্রকাশ্যে ছাত্রদের উপর গুলি চালিয়েছিলেন চসিকের ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ মামুন। সরকার পতনের পর সে গা-ঢাকা দিলেও ২২ সেপ্টেম্বর (রোববার) এক গোপন বৈঠকে একজন বিএনপি নেতার সাথে তাকে দেখা গেছে যার ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, নগরের খুলশী থানাধীন লালখান বাজার এলাকায় পিটস্টপ রেস্তোরাঁয় একপাশে বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা আড্ডা দিচ্ছেন। উক্ত জায়গায় চসিকের ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ মামুন, ১২ নং সরাইপাড়া ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ খানের সাথে বৈঠক করেছেন।
তথ্যসূত্রে বৈঠকে উপস্থিত থাকা একজন থেকে জানা যায়, প্রায় দীর্ঘ সময় ধরে এরশাদ মামুন ও আশরাফ খান বৈঠক করেন। বৈঠকে আওয়ামী লীগ নেতা এরশাদ মামুনের মামলার বিষয়ে কথা হয় এবং তার রাজনৈতিক আশ্রয় ও তাকে সেইফ করার কথা উঠে আসে। পাশাপাশি তাদের মধ্যে টাকা লেনদেনের বিষয়েও কথা হয়।
এ বিষয়ে জানতে বিএনপি নেতা আশরাফ খানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁর ব্যবহ্নত মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। সরাইপাড়া ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ খানের সাথে ছাত্র আন্দোলনে হামলাকারী আওয়ামী সন্ত্রাসী এরশাদ মামুনের বৈঠককে দলের মধ্যে বিশ্বাসভঙ্গ হিসেবে দেখছেন বিএনপি নেতা কর্মীরা।
Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}