যশোরের মনিরামপুর, অভয়নগর, কেশবপুর ও ডুমুরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বয়ে চলেছে টেকা বা মুক্তেশ্বরী নদী ও ভবদহ সুইচগেট অঞ্চল। ভবদহের উত্তর অঞ্চলের মানুষের সুখ শান্তির কথা চিন্তা করে তৎকালীন ব্রিটিস আমলের সবচেয়ে বড় প্রকল্প ছিল ভবদহ সুইচ গেট। ২৭ টা বিলসহ আরো অনেক এলাকা খাল বিল চ্যানেল গ্রামগঞ্জের পানি নিষ্কাশিত হয় এই ভবদহ সুইচগেট দিয়ে। উক্ত সুইচ গেট এখন মানুষের আশীর্বাদ থেকে অভিশাপে পরিণত হয়েছে। নদী ভরাট, নদী দখলবাজের কারণে পানি বাঁধা পেয়ে পলি পড়ে নদী ভরাট হয়ে স্থায়ী জলবদ্ধতা রূপ নিয়েছে।
প্রতিবারের ন্যায় এবারও শত শত গ্রাম হাজার হাজার মৎস্যঘের, গবাদি পশু, স্কুল কলেজ সহ রাস্তাঘাট পানির নিচে নিমজ্জিত। শত শত কোটি কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এখানকার মানুষেরা অনেক ঝুকিতে মানুষের জীবন । বছরের প্রায় সাত মাস এখানকার মানুষ পানিবন্দী থাকে। সরকার শত শত কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও আজও কোন সমাধান আসেনি। এই অঞ্চলের কৃষি ও মৎস্য খামারে দেশের অর্থনীতির বড় ভূমিকা পালন করে।
এখানকার মানুষের একটাই দাবি উন্নত টেকনোলজির মধ্য দিয়ে নদী খাল চ্যানেল দখল মুক্ত এবং দু’পাশের ভেড়ি বাঁধ উচু করে রাস্তা তৈরি করে প্রতি বিলের সাথে সুইচগেট করে পানি উঠানামা এবং এই এলাকা পর্যটক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত করতে হবে। তা হলে এখানকার অবহেলিত মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নত হবে। অভিশাপ থেকে আবার আশীর্বাদে পরিনত হবে।