জেলা শহরে মিষ্টি বিক্রির নামে মদিনা ফ্রেশ সুইটস মিষ্টান্ন ভান্ডারে ক্রেতাদের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি করতে দেখা গেছে। শনিবার (২৮সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরজমিনে তাদের দুটি শোরুমে গিয়ে দেখা যায়, জেলা শহরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ও বারহাট্টা রোডস্থ শোরুমে নানা অনিয়মের মধ্যদিয়ে মদিনা ফ্রেশ সুইটস নামের মিষ্টি বিক্রি করছে।
শোরুমের ভিতরের ফ্রিজে রয়েছে গরুর মাংস, দোকানে ঢুকতেই ডিসপ্লেতে পঁচা মিষ্টি সাজানো দেখা যায়। এছাড়াও বেশকয়েকটি উন্মুক্ত বড় পাত্রে মিস্টি সংরক্ষণ করতে দেখা যায়, যেগুলোতে অংসখ্য মাছি বসে থাকতে দেখা গেছে। এই মিষ্টিগুলো কিছুক্ষণ পর ডিসপ্লতে তোলা হবে বলে জানান দোকানে উপস্থিত ম্যানেজার ও একজন বিক্রয় কর্মী।
অবশ্য এগুলোর ছবি তোলায় তাৎক্ষণিকভাবে তারা সেগুলো পত্রিকা দিয়ে ঢেকে দেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, সদর উপজেলার বৈতাটী গ্রামের একটি কারখানায় যার চারপাশে ময়লার ভাগাড় সেখানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের দুগ্ধজাত পণ্য ও মিষ্টি।
কারখানাটির পাশেই একটি এগ্রিফার্ম যেখানে রয়েছে অর্ধশতাধিক গবাদি পশু। এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও চারপাশে ছড়ানো দুর্গন্ধ নিয়ে এলাকাবাসীরও রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। ফ্রিজে মাংস ও পচাঁ মিষ্টির বিষয় নিয়ে মোবাইল ফোনে মদিনা ফ্রেশ সুইটস এর ম্যানেজার মামুন জানায়, ফ্রিজের মাংস মালিককে দেওয়া হবে। আর ফ্রিজেতো মাংস থাকতেই পারে। আর পচাঁ মিষ্টি সরিয়ে ফেলা হবে বলে জানায়।
এ বিষয়ে নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের জেলা কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান সাম্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে দেওয়া এক স্বাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, মদিনা সুইটসকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও এসব অনিয়ম নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে।
এমনকি তাদেরকে এবিষয়ে ট্রেনিংও দেওয়া হয়েছে। মিষ্টির ফ্রিজে মাংস রাখা ও পচাঁ মিষ্টি রাখার বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া তাবাসসুমকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছেন বলে জানিয়েছেন।