সরকারি চাকরির বয়স সীমা বাড়িয়ে ৩৫ এবং অবসরের বয়স ৬৫ করা হোক বলে শিক্ষার্থীরা দাবি তুলছেন।বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে যা খুব ই যৌক্তিক।কারন বহু শিক্ষার্থিদের অনেকের ই লেখা পড়া শেষ করতে করতে বয়স ত্রিশের কোঠা পেরিয়ে যায়।তাই সরকারী চাকুরিতে প্রবেশের বয়স সীমা ৩৫ অবশ্যই যৌক্তিক।বৃটিশ আমলে সরকারি চাকুরির বয়স সীমা ছিল ২৫ আর অবসরের বয়স সীমা ছিল ৫৫।

পরবর্তী তে দেশ স্বাধীন হবার পর এটা বাড়িয়ে চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা ২৭ এবং অবসরের বয়স সীমা ৫৭ করা হয়।মুক্তি যোদ্ধা দের জন্যে সেটা ৩০ বছর শিথিল যোগ্য রাখা হয়।২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা বাড়িয়ে ৩০ এবং অবসরের বয়স সীমা ৫৯ করে।

এখন দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। যেখানে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিরা ৬৭ বছর আর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বৃন্দের জন্যে অবসরের সীমা ৬৫ রাখা হয়েছে সেখানে সরকারি চাকুরি জীবিরা কি দোষ করলেন? আর ৬৫ বছর অবসরের বয়স সীমা রাখলেই যে কাউকে অত বছর চাকরি করতেই হবে তার বাধ্য বাধকতা তো নেই।সরকারি চাকরিতে আমি মনে করি ১৫ বছর চাকরি করার পরেই স্বেচ্ছায় অবসরের বিধান থাকা উচিত। সরকারি চাকুরিতে যাদের বয়স ৫৫ পার হবে তাদের কেই প্রতি বছর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে চাকরিতে শারিরীক সক্ষমতা যাচাই করা উচিত।

সেই সাথে মানসিক সক্ষমতা ও যাচাই করতে হবে বিশেষ করে যারা বিচারবিভাগ,শিক্ষা, প্রশাসন এবং চিকিতসা ক্যাডারে চাকরি করবেন। চাকরির প্রবেশের বয়স ৩৫ আর অবসরের বয়স ৬৫ খুব ই যৌক্তিক দাবী।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}