ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সরকারি ইট চুরি করে ব্যক্তিগত সড়ক নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মো. হাফিজুর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তিনি পৌর সদরের শিবপুর গ্রামের মো. ছিরু শেখের ছেলে। জানা গেছে, হাফিজুরের বাড়ির পাশে বিশাল আয়তনের একটি পুকুর রয়েছে।

ফরিদপুর জেলা পরিষদের মালিকানাধীন পুকুরটি ইতিপূর্বে একটি বিশেষ প্রকল্পের আওতায় এর সংস্কার সহ সৌন্দর্য বর্ধন ও স্থানীয়দের হাটা-চলার সুবিধার্থে চার চালায় ইটের সলিং বিছানো হয়। কিন্তু পরবর্তীতে তা আর এলাকাবাসীর কোন কাজে আসেনি। বুধবার (২ অক্টোবর) সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়,বর্তমানে পুকুরটি পরিত্যক্ত। এর চারপাশ ঝোপজঙ্গলে ভরা

। ইতঃপূর্বে পুকুরটির পূর্ব চালার সমস্ত ইট কে বা কাহারা তুলে নিয়ে গেছে। এখন উত্তর চালার ইট তুলে নিচ্ছেন উক্ত হাফিজুর রহমান।

ওই ইট দিয়ে তিনি মূল সড়ক থেকে নিজ বাড়ি ও ঘরে পৌঁছানোর জন্য রাস্তা নির্মাণ করছেন। প্রায় ৮০/১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের চালাটিতে আনুমানিক ৫/৬ হাজার ইট রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

যার আনুমানিক মূল্য ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। কাউকে না জানিয়ে দু’জন দিনমজুর নিয়োগ দিয়ে হাফিজুর ইটগুলো তুলে নিচ্ছেন বলে জানা যায়। জানতে চাইলে হাফিজুর রহমান বলেন, পুকুরটি এখন পরিত্যক্ত। ইটগুলো নষ্ট হচ্ছে।

অনেকেই যে যার মত করে সেগুলো নিয়ে যাচ্ছেন। আমিও কিছু ইট নিয়েছি। এতে দোষের কী আছে? এ বিষয়ে স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মিনহাজুর রহমান লিপনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন,পুকুরটি পুরাতন হলেও সরকারি ইট লোপাটের কোন সুযোগ নেই। এই বেআইনি তৎপরতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

এ ব্যাপারে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হাসান চৌধুরী বলেন, সরকারি মাল চুরি করা অবশ্যই গর্হিত কাজ। যেহেতু পুকুরটির মালিক ফরিদপুর জেলা পরিষদ সেহেতু এটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদেরই।

লিখিত আকারে তথ্যগুলো আমাকে দিলে সেগুলো জেলা পরিষদে পাঠিয়ে আমি ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করবো।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}