কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের উপর হামলার অভিযোগে ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
৪ অক্টোবর শুক্রবার দুপুরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পৌর এলাকার পূর্ব গাইলকাটা মহল্লা থেকে তাদের আটক করা হয়। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা শেষে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন পিপিএম।
আটককৃতরা হলেন কুলিয়ারচর পৌর এলাকার পালটিয়া মহল্লার সৈয়দ মুর্শিদ মিয়ার ছেলে সৈয়দ নুরে আলম (৬১) ও তারাকান্দি বাজরা এলাকার মৃত মজনু মিয়ার ছেলে মো. মনির মিয়া (৩১)।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের উপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে সৈয়দ নূরে আলম ও মনির মিয়ার বিরুদ্ধে । ৪ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কের কুলিয়ারচর উপজেলাস্থ বাজরা বাসস্ট্যান্ডে শান্তিপূর্ণ ও যৌক্তিক আন্দোলনের সময় ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলো একসাথে দেশীয় অস্ত্রাদীসহ আগ্নেয়াস্ত্র ও ককটেল নিয়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও ম্যাসাকার চালানোর অভিযোগে গত ৩০ আগস্ট উপজেলার রামদী ইউনিয়নের আগরপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামের মো. মজলু মিয়ার ছেলে অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্র মো. নয়ন মিয়া বাদী হয়ে কুলিয়ারচর থানায় একটি মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নম্বর- ১৫। এ মামলায় দুজনকে আটক করা হয়।
আটকৃত সৈয়দ নুরে আলম উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান। মনির হোসেন আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী।
এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন পিপিএম বলেন, গত ৩০ জুলাই নয়ন মিয়া নামের এক ছাত্র বাদী হয়ে কুলিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমতিয়াজ বিন মুছা জিসান (৪০)’কে প্রধান আসামি করে ৮৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০০ জনের নামে কুলিয়ারচর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় আজ দুপুরে পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দুইজনকে আটক করে।