চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলে বৈধ সীট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে আজ। প্রসাশন সীট বরাদ্দের মাপকাঠি রেখেছিল মেধা। সেক্ষেত্রে জিপিএ ও সিজিপিএ দেখে ছাত্রছাত্রীদের সীট বরাদ্দ দেয় কর্তৃপক্ষ।  কিন্তু এই বরাদ্দকৃত সীট নিয়ে বৈষম্য হয়েছে বলে দাবি করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেকে। তাছাড়া কোটার উপর ভিত্তি করে অনেক সীট দিয়েছেন প্রশাসন,এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা দাবি করেছে যে প্রতিবন্ধী কোটা ছাড়া অন্যসকল কোটার সীট বাতিল করতে হবে।

উল্লেখ্য যে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রাপ্ত সীটের আধিক্য লক্ষণীয়।  হলের সীট বরাদ্দের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন তাঁর নিজস্ব ফেসবুক একাউন্ট থেকে একটি পোস্ট করেন। তিনি তাঁর পোস্টের মাধ্যমে জানান, “২৪’ এর আন্দোলনের প্রতিফলন এই হলের সীট এলোটমেন্টে হয়নি।

ডিপার্টমেন্ট ও কোটাভিত্তিক বৈষম্য খুবই স্পষ্ট। অপর্যাপ্ত সীট, ডিপার্টমেন্ট ভিত্তিক একটা নির্দিষ্ট অংশ সীট বরাদ্দ না রাখা, সাবেক লীগ ও ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট ছেলেদের সীট এলোটমেন্ট দেওয়া বা ওয়েটিং লিস্টে এ রাখা সাধারণ শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তব রুপ দিতে পারেনি।

” তিনি আরো বলেন, “ছোটভাই-বোনদের জন্য খারাপ লাগছে। টিউশনি করালেও হিমশিম খেতে হয় খরচ চালাতে, সেখানে অনেকেই যাদের টিউশন ও নেই।” পরিশেষে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে একাগ্রতা প্রকাশ করে চবি ছাত্রদল সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন বলেন, “ইনসাফ নিশ্চিত করতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই ব্যাপারে যে ডিসিশন ও অবস্থান নিবে, আমরা তাদের পাশে সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবেই থাকব। আমাদের কোনো ফুটেজের দরকার নাই, ক্রেডিটেরও না।”

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}