মাওলানা ভাসানীর ৯ মার্চের ভাষন কোন অংশে ৭ মার্চের ভাষনের চাইতে গুরুত্বের দিক থেকে কম ছিলনা।উনি এবং উনার দল ৭০ এর ১০ নভেম্বরের প্রলয়ংকারি ঝড়ে দেশের দক্ষিনাঞ্চলের কয়েক লক্ষ লোক নিহত এবং ততকালীন পাকিস্তান সরকারের ত্রাণ ততপরতার তীব্র উদাসীনতার প্রতিবাদে জাতীয় নির্বাচন বয়কট করেছিলেন।

তাই তাঁরা কোন সংসদীয় আসন পান নি।উনিও কিন্তু সেই সময়ে একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা। ৬৯ এর ব্যাপক গন আন্দোলন কিন্তু উনার নেতৃত্বেই গড়ে উঠেছিল।যার ফলশ্রুতি তে স্বৈরাচারী আইউব খান বাধ্য হন বিদায় নিতে এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে বংগবন্ধু কে অব্যাহতি দিতে। তাঁর কথার গুরুত্বও কিন্তু সেই সময়কার জনগনের প্রতি ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করত।বংগবন্ধুর ৭ মার্চ যেখানে ভাষন দেন মাওলানা ভাসানি ও অই একই জায়গা সেই পল্টন ময়দানে ভাষন দেন এবং তাঁর সেই ভাষনেও লোক সমাগম কম হয়নি ৭ মার্চের ভাষনের চাইতে।অথচ এই ভাষনের কোন ভাল ভিডিও আর্কাইভ করা হয়নি।পাওয়া যাচ্ছেনা এই ভাষনের পুর্ন বিবরন।

জাতিকে সুপরিকল্পিত ভাবে বিস্মৃত করে দেয়া হয়েছে।অথচ সেই ভাষনে তিনি খুলাখুলি সেই সব কথা বলেছিলেন যা জনগন স্বয়ং বংগবন্ধুর মুখে শুনতে চেয়েছিল।

সেই ঐতিহাসিক ভাষন নিয়ে সেভাবে কোন বুদ্ধিজীবি কে আলোচনা করতে শুনিনি।যা অত্যন্ত দু:খজনক।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}