ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার মৎস্য অফিসার না থাকায় সদরপুর উপজেলারমৎস অফিসার অতিরিক্ত দায়িত্বে পালনে এ সুযোগ অসাধু জেলেরা অভিযানের পরেই ব্যাপক হারে মা ইলিশ নিধন হচ্ছে।
পদ্মা নদীর বিভিন্ন এলাকায় গত সোমবার বিকেলে মা ইলিশ সংরক্ষন অভিযান পরিচালিত হয়ে ২০ হাজার মিটারের অধিক কারেন্ট জাল ও ৩০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।

পদ্মা নদীর শয়তানখালি ঘাটএলাকায় নিয়ে জব্দকৃত কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
চরভদ্রাসন উপজেলার ইসলামিয়া ছিদ্দীকিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ৩০ কেজি ইলিশ মাছ বিতরন করা হয়। উপজেল সহকারী কমিশনার (ভুমি) নিশাত ফারাবী এর নেতৃত্বে ইলিশ রক্ষা অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের অন্যরা হলেন চরভদ্রাসন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য অফিসার এসএম জাহাঙ্গীর কবির, চরভদ্রাসন থানার এএসআই নূর মোহাম্মদ, মোবাইল কোর্ট পেশকার রাসেল মুন্সি, মৎস্য অফিস ক্ষেত্র সহকারীশামিম আরেফিন ও রুবেল মিয়া প্রমূখ।
জানা যায়, ওই দিন বিকেলে ভ্রাম্যমান আদালত পদ্মা নদীর চরঝাউকান্দার ভাটি শালিপুর, আকোটেরচর, পিয়াজখালি ও শয়তানখালি সহ পদ্মা নদীর ভাটি এলাকার জল সীমানায় অভিযান পরিচালনা করেন চরভদ্রাসন উপজেলার সরকারি কমিশনার নিশাত ফারাবি।
এ সময় অভিযানের টের পেয়ে অনেক অসাধু জেলে জাল, নৌকা ও মাছ ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ইলিশ নীধনে ব্যাবহৃত নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও মাছ জব্দ করেন ভ্রাম্যমান আদালত। প্রায় ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে তা আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং প্রায় ৩০ কেজি জব্দকৃত ইলিশ মাছ এতিমখানায় বিতরন করা হয়েছে বলে জানা যায়। আর ও জানা যায়,এবছর পদ্মা নদীতে ব্যাপক হারে অসাধু জেলেরা দিনে এবং রাতে যখনই পদ্মা নদীতে অভিযান পরিচালিত হয় না।
সেই সুযোগ অসাধু জেলেরা নির্বিঘ্নে মা ইলিশ নিধন করে যাচ্ছে। সদরপুরের মৎস্য অফিসার আলমগীর হোসেন একাধিক উপজেলায় দায়িত্ব পালনে এ সুযোগই অসাধু জেলেরা প্রকাশ্য গোপনে মা ইলিস নিধন করে যাচ্ছে।এ ব্যাপারে সুশীল সমাজ প্রশাসনের নিকট দাবি করছে চরভদ্রাসন উপজেলায় বিভিন্ন দায়িত্বশীল অফিসারগণ এবং মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে সদরপুর অতিরিক্ত দায়িত্ব মৎস্য অফিসার আলমগীর হোসেনের দিকে না তাকিয়ে জোরালো ভাবে মা ইলিশ রক্ষায়একাধিক টহল জোরদার করণের দাবি জানিয়েছে।
তা না হলে অনেক সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা অভিমত ব্যক্ত করছে এভাবে মা ইলিশ নিধন হলে অচিরে ইলিশ শুন্য হবেই বলে জানিয়েছে।