বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার বায়সা শ্মশান থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া বাবলু ঘোষের বাড়ি উপজেলার বায়সা গ্রামে। কেশবপুর শহরের ধানহাটায় তার একটি মুদি দোকান রয়েছে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন কোম্পানির পণ্যের ডিলার ছিলেন বলে জানা গেছে।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাবলু ঘোষ গ্রামের বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার ভোরে বায়সা শ্মশানে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। পরে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে।

বাবলু ঘোষের ভাই মন্টু ঘোষ বলেন, আমার দাদা (বাবলু) বড় অংকের ঋণগ্রস্ত ছিলেন। সে কারণে তিনি হতাশ ও অবসাদগ্রস্ত ছিলেন। তবে আমার ভাইও বিভিন্ন লোকের কাছে বড় অঙ্কের টাকা পাবেন। পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হয়তোবা কিছু ঘটতে পারে।

কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক লিটন কুমার দাস জানান, নিহত ব্যক্তির গায়ে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না। মুখে বিষের গন্ধ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে কীটনাশক পানে তার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। বাবলু ঘোষ দশ বার কোটি টাকা দেনা আছে।

এ কারণে তিনি হয়তো আত্মহত্যা করতে পারেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে পুলিশ জানান।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}