২০০৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যে চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদ শেষে ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট সারাদেশে লগি-বৈঠার তাণ্ডব সৃষ্টি করে। ঐ দিন বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে জনসভার আয়োজন করা হয়। ঐ দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পল্টন এলাকা লগি-বৈঠাধারীদের সন্ত্রাসী তাণ্ডবে এক রক্তাক্ত প্রান্তরে পরিণত হয়। তাদের হামলায় ঢাকাসহ সারাদেশে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ১৪ জন নেতা-কর্মী নিহত হন এবং আহত হন সহস্রাধিক নেতা-কর্মী। শুধু ঢাকাতেই নয়, সারা দেশে ১৪ দলের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে গোটা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে।

ঐ ঘটনা ছিলো পূর্বপরিকল্পিত মানবতাবিরোধী গণহত্যা। এ সময় বক্তারা বলেন ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠাধারীদের গণহত্যা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ২৮ অক্টোবরের পথ ধরেই তারা দেশে সন্ত্রাসী রাজনীতি শুরু করেছিলো তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। তখন থেকে দেশকে রাজনীতিশূন্য করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়। আমরা বিশ্বাস করি এই পটপরিবর্তনের ফলে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং অবিলম্বে ২৮ অক্টোবরের গণহত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।

২৮ অক্টোবরে যারা নিহত হয়েছেন তাদের স্মরণে আলোচনা এবং তাদের শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করা হয়। সেই সাথে যারা আহত ও পঙ্গু হয়ে এখনো মানবেতর জীবন-যাপন করছেন তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।” এসময় উপস্থিত ছিলেন (কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও নায়েবে আমীর জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা) আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আলী আলম ও আরেক কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও নায়েবে আমীর জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা মাওঃ মোঃ আব্দুস সালাম, (সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বেলকুচি উজেলা শাখা) মোঃ সোহেল ও (সাবেক চেয়ারম্যান ধুকুরিয়া বেড়া ইউনিয়ন শাখা) মাহবুবুর রশিদ শামীম, এছাড়া এনায়েতপুর থানা শাখার আমির,ডাঃ মোঃ সেলিম রেজা ও সেক্রেটারি,ডাঃ মোঃ মোফাজ্জল হোসেন,আলহাজ্ব আঃ গফুর সাহেব, ডাঃ আইয়ুব আলী, হারুন ব্যপারী সহ জামায়াতে ইসলামী এর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}