শেরপুর সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নে দীর্ঘ ১৭ বছর পর জামায়াতের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(২ নভেম্বর) বিকেলে চরশেরপুর ও কামারেরচর ইউনিয়ন মধ্যস্থিত কোনাগাড়া আনন্দ বাজার মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
চরশেরপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মোঃ সুলতান আহমেদ খানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামিক ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি ও শেরপুর সদর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ মু.রাশেদুল ইসলাম।
এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসের শুরা সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান ৷ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও তার দোসররা এদেশের মানুষদের লক্ষ লক্ষ মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পরিণত করেছিলো ৷
আল্লাহর রহমতে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে জালিম সরকারের কাছ থেকে আজ দেশের জনগণ মুক্তি পেয়েছে ৷এদেশের দূর্নীতিবাজদের দিন শেষ বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন ৷
এসময় অন্যান্য বক্তারা বলেন,ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার জামায়াতের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধের পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রমও নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ করেছিল। এ দেশে একনায়কতন্ত্র কায়েম করে মানুষের বাক স্বাধীনতা হরণ করেছিল। তবে জামায়াতে ইসলামীসহ ইসলামী মূল্যবোধকে শেষ করে দিতে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করেও শেষ রক্ষা হয়নি।
সেই হাসিনা এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে আওয়ামী লীগের নাম মুছে দিবে জনগণ। আগামীর বাংলাদেশ হবে ছাত্র-জনতার বাংলাদেশ, ইসলামের বাংলাদেশ।’
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামি শেরপুর সদর উপজেলার আমির মাওলানা আতাউর রহমান ,সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ আব্দুস সোবহান, চরমোচারিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মোঃ নুরনবী,চরশেরপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সভাপতি মোঃ সরোয়ার জাহান লাভলু,৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি মোঃ মোতাসিম বিল্লাহসহ প্রমূখ ৷