ডিকেআইবি গাইবান্ধা জেলা শাখার নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুনঃরায় তফশীলের মাধ্যমে নির্বাচনের দাবীতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অবসরপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে আব্দুর রাজ্জাক তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২ নভেম্বর ডিকেআইবি গাইবান্ধা জেলা শাখার নির্বাচন ডেপুটি ডাইরেক্টর অফিসে (ডিডি) অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে ১৭টি পদে জিয়া ইদ্রিস এবং মজিদ মাহফুজ প্যানেল ২টি, স্বতন্ত্র হিসেবে সভাপতি পদে ১জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
আমরা বিশ্বস্ত সুত্রে জানতে পারি, জেলা ব্যালটের গোলাপি রংয়ের ব্যালট পেপার প্রতিপক্ষ আব্দুল মজিদ মাহফুজ প্যানেলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী মিজানুর রহমান মিন্টুর মালিকানাধীন থ্রি-স্টার এন্টারপ্রাইজে ছাপানো হয়। মোট ভোটারের সংখ্যা ৩৩৭টি কিন্তু প্রদত্ত (কাস্ট) ভোট দেখানো হয় ৩১৪টি।
কিন্তু গণনার সময় ব্যালট পাওয়া যায় ৩৪৭টি। যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন ভোট চলাকালীন সময়ে ফাঁকা ফলাফল শীটে এজেন্টদের স্বাক্ষর নেয়া হয় এবং তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনগুলো সরিয়ে নেয়া হয়। ফলে এজেন্টরা সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের সাথে কোন ধরণের যোগাযোগ করতে পারেননি।
প্রকৃত পক্ষে ভোটারের উপস্থিতি ছিল আনুমানিক ২০০ থেকে ২৬০ জন। এছাড়া আমাদের প্রতিপক্ষ ফলাফল তাদের পক্ষে নেয়ার জন্য নানা ধরণের তালাবাহানা ও সময়ক্ষেপন করে রাত গভীর হলে রিটার্নিং অফিসারের সাথে যোগসাজসের মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণা করেন। এমতাবস্থায় আমরা কিংকর্তব্যবিমুড় হয়ে পড়ি।
নির্বাচনে যে ব্যালট পেপারগুলো ছাপানো হয়েছে তা মিজানুর রহমান মিন্টুর থ্রি-স্টার এন্টারপ্রাইজ প্রেস থেকে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমাদের প্রতিপক্ষ অতিরিক্ত ব্যালট পেপারগুলো কৌশলে ভোট বক্সের মধ্যে ফেলায়। ফলে নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়ম হওয়ায় পরদিন ৩ নভেম্বর রোববার আমরা ওই নির্বাচন প্রত্যাক্ষান করি। তাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে উক্ত নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুনঃরায় তফশীলের মাধ্যমে আমরা নির্বাচনের দাবি জানাই।