সম্পর্ক করতে বাঁধা দেয়ার পরও জোরালোভাবে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গড়ে তোলে শারীরিক সম্পর্ক। প্রেমিকার অন্তঃসত্ত্বার খবর পেয়ে সাধুর মুখোশ পড়ে পালালেন প্রেমিক। অবশেষে নিরুপায় হয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন ওই ভুক্তভোগী প্রেমিকা। ঘটনাটি এলাকায় টক অফ দ্যা ভিলেজে পরিনত হওয়ায় কে এই প্রেমিক জামিউল?

এ প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। জামিউল (২৭) গাইবান্ধা সদর উপজেলার মালিবাড়ী ইউনিয়নের বারবলদিয়া গ্রামের মঞ্জিল মিয়ার ছেলে। ঘটনার আদ্যোপান্ত ও অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, ২২ বছর বয়সী ওই ভুক্তভোগী নারী একজন বহুমাত্রিক প্রতিবন্ধি। গত ৩ বৎসর পূর্বে স্বামী কর্তৃক তালাক প্রাপ্ত হয়ে এক সন্তান নিয়ে পিতার বাড়ীতে অবস্থান করছেন।

পাশাপাশি বাড়ি এবং একে অপরের পরিচিতির সুবাদে জামিউলের সাথে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে গড়ে উঠে গভীর প্রেম সম্পর্ক। এমতাবস্থায় একাধিকবার দৈহিক মেলামেশায় অন্তঃসত্তা হয়ে পড়েন ওই নারী। এরপর গত ১২/১১/২০২৪ তারিখে বিষয়টি জানতে পারলে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার কথা বলেন জামিউল। নচেৎ বিয়ে করবে না মর্মে সাফ জানিয়ে দেন।

এ ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী নারী পরের দিন জামিউলকে অভিযুক্ত করে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পর থেকে প্রেমিক জামিউল নিজেকে গা ঢাকা দেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জামিউলের বাড়িটি জনমানব শুন্য। বাড়ির বাহির দরজা তালা বদ্ধ।

এই দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ওই ভুক্তভোগী বলেন, জামিউল আমার সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। আমি আর সমাজে মুখ দেখাতে পারবো না। তার দাবী, হয় বিয়ে না হয় আত্মহত্যা। এটাই আমার জীবনের শেষ পরিণতি। এ বিষয়ে জামিউলের সাথে মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহীনুর ইসলাম তালুকার জানান, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পরেই সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}