গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের বাসির স্বপ্নের তিস্তা পিসি গার্ডার সেতুটি ২০২৫ সালের মার্চ মাসে যাতায়াতের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেতুর ৯৫ ভাগ কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকী কাজ শেষে সময়সূচি ঠিক করে উদ্বোধন করা হবে। শনিবার (৩০ শে নভেম্বর) সেতু পরিদর্শনে এসে এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী গোপাল কৃষ্ণ দেবনার্থ উপরোক্ত কথা বলেন।

তিনি পায়ে হেঁটে সেতুর বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সেতু নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক মোঃ আব্দুল মালেক, কনসালটেন ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম প্রামানিক, ঢাকা সদর দপ্তরের প্রকল্প পরিচালক গোলাম হাওলা, গাইবান্ধার নিবার্হী প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলাম, রংপুরের মোঃ মুসা, কুড়িগ্রামের মাসুদার রহমান, লালমনিরহাটের মোঃ কাত্ত্বিছার আলম, টিম লিডার লি হাই বিন, ডেপুটি টিম লিডার নিজামুল হক, হেইকেল সিনিয়র সহকারি প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসাইন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আব্দুল মান্নাফসহ গাইবান্ধার সকল উপজেলার প্রকৌশলীগণ।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর-কুড়িগ্রামের চিলমারি উপজেলা সদরের সঙ্গে সংযোগকারি সড়কে তিস্তা নদীর উপর ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করছেন চায়না ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণে অর্থ প্রদান করছেন সৌদি ডেভেলোপম্যান্ট ফান্ডেশন।

এতে ব্যয় হবে ৭৩০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ২৭৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা মূল সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে। সড়ক নির্মাণে ব্যয় হবে ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকা, নদী শাসনে ৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং জমি অধিগ্রহণে ব্যয় হবে ৬ কোটি টাকা। সেতুটিতে পিলার থাকবে ৩০টি এর মধ্যে ২৮টি পিলার থাকবে নদীর ভিতরে অংশে এবং ২টি পিলার থাকবে বাহিরের অংশে। সেতুর উভয়পাশের নদী শাসন করা হবে ৩.১৫ কিলোমিটার করে।

সেতুর উভয় পাশের সড়ক নির্মাণ করা হবে ৫৭.৩ কিলোমিটার। এর মধ্যে চিলমারি মাটিকাটা মোড় থেকে সেতু পর্যন্ত ৭.৩ কিলোমিটার এবং গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর ধাপেরহাট থেকে হরিপুর সেতু পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার। চিলমারী অংশে একসেস সড়ক সেতু থেকে কাশিম বাজার পর্যন্ত ৫.৩ কিলোমিটার এবং গাইবান্ধা ধাপেরহাট থেকে হরিপুর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}