কে এই শাফিউল? যিনি মনে করেন “টাকা হলেই মেলে বাঘের চোখ। তাই বৈধতা না থাকলেও কাঠ কয়লার কারখানা দিয়ে হাতে পেয়েছেন আলাদিনের চেরাগ। তোয়াক্কা করছেন না পরিবেশের। এ ব্যবসায় অল্প সময়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়ায় তার দাপটের মুখে জিম্মি হয়ে পড়েছেন স্থানীয় লোকজন।

শাফিউল গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কামালের পাড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। কাঁঠালতলী বাজার সংলগ্ন TAB ইট ভাটার পাশে গড়ে তুলেছেন এই কারখানা।

গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শাফিউল ও পার্শ্ববর্তী অপর এক ব্যক্তিসহ ২ কারখানার মোট ১৭টি চুল্লি। চুল্লিগুলোর সামনে পড়ে আছে আম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের অসংখ্য গুড়ি। কারখানার এক পাশে সাজানো ২৫/৩০টি কয়লা ভর্তি বস্তা। ২/৩টি চুল্লিতে উড়ছে কালো ধোঁয়া। সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে গা ঢাকা দেন শাফিউল। এ সময় একটি ঝাপড়ি ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন এক ব্যক্তি। হাতে ক্যামরা দেখেই পাশ কাটিয়ে যান। জানা যায়, তিনি এই কারখানার মিস্ত্রি।

স্থানীয়রা জানান, এই সব কারখানার নেই কোন সরকারি অনুমোদন, নেই পরিবেশের ছাড়পত্র। এর পরও অর্থের দাপটে আইনকে গাইন বানিয়ে চালানো হচ্ছে কারখানা। এর কালো ধোঁয়া আর
পোড়া মাটির গন্ধে দুষিত হচ্ছে পরিবেশ। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গাছপালাসহ কৃষিজমির ফসল।

মুঠোফোনে কথা হলে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসাহাক আলী জানান, এসব কারখানা বন্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}