শ্ীদ্ধাব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরে শহিদ বুদ্ধিজীবি হত্যাদিবসে বড়াইল ইউনিয়নের খারঘর ৭১ রে শহিদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন খারঘর শহিদ স্মৃতি সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন কমিটি।

এ উপলক্ষ্যে আজ শনিবার সকাল ১১ টায় খারঘরের ‘৭১’ শহিদ স্মৃতিসৌধে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ ও যুদ্ধাহত পরিবার বড়াইল এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নবীনগর উপজেলা প্রশাসন, শহীদ ও যুদ্ধাহত পরিবার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যারা ছিলেন, বড়াইল ইউনিয়ন (গোসাইপুর) ভূমি কর্মকর্তা রাসেল আহমেদ, স্মৃতি সংরক্ষণ ও বাস্তবায়ন কমিটি’র সভাপতি কাজী ইমরুল কবীর সুমন, সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন আহমদ জীবন প্রমূখ।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর পাগলা নদীর পাড়ে খারঘর গ্রামে ৪৩ জন গ্রামবাসীকে গুলি করে হত্যা করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী।ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এটাই সবচেয়ে বড় গণকবর ও বধ্যভূমি।

এলাকাবাসী ও প্রশাসনের উদ্যোগে এখানে সম্প্রতি একটি স্মৃতিসৌধ, মাদরাসা, বিশ্রামাগার ও গোলঘর নির্মাণ করা হয়। সেই সঙ্গে পাগলা নদীর স্রোত থেকে রক্ষা করতে গণকবরটির পাড় বাঁধার ব্যবস্থা করা হয়।

এদিকে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে গত ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার খারঘর গণকবর, খারঘর শহিদ ‘৭১’ স্মৃতিসৌধ ও খারঘর গণকবর মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন নবীনগরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিব চৌধুরী স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিততে ছিলেন খারঘরের গনকবরটি সংরক্ষণ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষনার জন্য একটি মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স নির্মাণে উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দেন।যুদ্ধাহত খারঘরের রিনা বেগমকে এ সময় তিনি আর্থিক সহযোগিতা করেন। খারঘর গণকবর সংলগ্ন মাদরাসাটির উন্নয়নেও তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}