জেলা লিগ্যাল এইড কার্যালয়ে বিচারপ্রার্থী হিসেবে যাঁরা আসেন- তাঁদের বেশির ভাগ অভিযোগ আসে পারিবারিক বিরোধ, যৌতুক, খোরপোশ, অভিভাবকত্ব বিষয়ে। এর পাশাপাশি বাল্যবিবাহ, জমি-জমা সংক্রান্তসহ নানা রকম অভিযোগ নিয়েও আসেন বিচারপ্রার্থীরা। এখানে এমন মানুষও আসেন, যাঁদের আদালতে মামলা চালানোর সক্ষমতা নেই।

অসচ্ছল, অসহায় এসব মানুষকে সরকারি খরচে মামলা চালাতে সহযোগিতা করে থাকে জেলা লিগ্যাল এইড কার্যালয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিচার প্রার্থীদের আবেদনের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি কার্যালয়ের সেবাও বাড়ছে। এসব অভিযোগের মধ্যে বিবদমান পক্ষগুলোর আপসে জেলা লিগ্যাল এইড কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা আদায় করে দেওয়া হয়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় উপজেলা পর্যায়ে লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি তোলা হয়েছে। বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকেলে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবনের সম্মেলন কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজিত আইনগত অধিকার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রকল্প পরিচিতি সভায় এই দাবি জানান বক্তারা।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান ও চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইকবাল বাহার।
এই প্রকল্প পরিচিতি বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্টে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লাইট হাউজ এনজিও’র প্রজেক্ট ম্যানেজার সিদ্দিকুল আলম মামুন।
এসময় লাইট হাউজ এনজিও’র চীফ এক্সিকিউটিভ হারুন-অর-রশিদ এর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হামিদুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জমসেদ আলী, রাজশাহী জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ মো. আরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. খায়রুল আলম, লাইট হাউজ এনজিও’র প্রজেক্ট অফিসার নাজমুন নাহার, লাইট হাউজ এনজিও’র উপজেলা কো-অর্ডিনেটর আব্দুল বারিক সরকার। এছাড়াও সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}