স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার ব্যবহারে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ গুলোর বর্তমানে এমনিতেই যেন খরার উপর মরার ঘাঁ। চাল আনতে লবন ফুঁরায় তাতেই আবার ডিজিটাল থেকে স্মার্ট প্রি- পেইড মিটারে রুপান্তর করার যে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে পলাশবাড়ী নেসকো কোম্পানি তা কখনই বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন পলাশবাড়ী সচেতন নাগরিক সমাজের আহবায়ক রবিউল ইসলাম লিয়াকত। তিনি আরো বলেন পলাশবাড়ীতে নিম্ন মধ্যে বিত্ত মানুষের বসবাস তারা কি ভাবে মাসের মধ্যে একাধিকবার টাকা রির্চাজ করবে।
এই মিটারে সুবিধার চেয়ে অসুবিধাই বেশি। তাই কোন ভাবেই এ প্রকল্প পলাশবাড়ীতে বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে পলাশবাড়ী বাসীকে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষনা করা হবে। অন্যদিকে ব্যবসায়ী মামুন মিয়া বলেন এখন সারা মাস বিদুৎ ব্যবহার করে মাসের শেষে বিল পরিশোধ করি। কিন্তুু প্রি- পেইড মিটার হলে তা করতে পারবো না।এমনকি মধ্য রাতে রির্চাজের টাকা শেষ হয়ে গেল! তখন আমাকে রির্চাজ না করা পর্যন্ত অন্ধকারেই থাকতে হবে।
গোয়ালপাড়ার রশিদ মিয়া বলেন বড়বড় বিভাগীয় শহরেই এখনও প্রি-পেইড মিটার বাস্তবায়ন করতে পারে নাই প্রযুক্তিগত নানা সমস্যার কারণে।আর পলাশবাড়ীতে কি করে সম্ভব। নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণের আহবায়ক মুশফিকুর রহমান মিলটন বলেন প্রি- পেইড মিটার ব্যবহারে অনেক প্রযুক্তিগত সমস্যা রয়েছে। যা পলাশবাড়ীবাসী কোনভাবেই মেনে নেবে না। তারপরও পলাশবাড়ীবাসীকে প্রি-পেইড মিটার চাপিয়ে দিতে চাইলে পলাশবাড়ীবাসী কঠোর কর্মসূচি ঘোষনা মধ্য দিয়ে তা প্রতিহত করবে। পলাশবাড়ীতে দায়িত্বরত নেসকো কম্পানির নির্বাহী প্রকৌশলী —–বলেন এ ব্যাপারে পলাশবাড়ীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে এবং স্মারক লিপি আমাকে দিয়েছেন। আমি উদ্ধোতন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানাবো। তারাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।।