সাংবাদিকতা পেশাকে পুঁজি করে ৫ আগস্টের পর ক্ষমতার দাপটে এক শিক্ষক দম্পতি ইচ্ছা মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়া ও ছুটি দেওয়া পরিচালনার অভিযোগ প্রমানিত হওয়ার পরেও কোন শাস্তি মুলক ব্যবস্থা গ্রহন না করায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের উপর উপজেলার সচেতন মহলের ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছেন।

জানা যায়, পলাশবাড়ী কাতুলি ১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা বেগম নিজ মনগড়া মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন ও বিদ্যালয় পরিচালনা করেন। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়ে পড়েছে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কমেছে। প্রধান শিক্ষক মাহমুদা বেগম এর স্বামী ফেরদাউস মিয়া দৈনিক সংগ্রাম ও নিষিদ্ধ দৈনিক আমাদের নতুন সময় প্রতিকার পলাশবাড়ী প্রতিনিধি হওয়ায় সাংবাদিকতার দাপটে একই মাসে দুইবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলে নেওয়া হয়নি কোন শাস্তি মুলক ব্যবস্থা।

অপরদিকে পলাশবাড়ী আর্দশ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক ফেরদাউস মিয়া সাংবাদিকতাকে পুঁজি করে বিদ্যালয়ে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন এবং ব্যক্তিগত কার্যক্রমে সময় দিচ্ছেন, বিদ্যালয় চলাকালিন সময়ে তিনি দাপটের সহিত উপজেলা প্রশসানের বিভিন্ন দপ্তর ও পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবেসহ বিভিন্ন স্থানে আড্ডা দিয়ে বেড়াচ্ছেন।

এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আন্জুমান আরা গুলেনুর জানান,কাতুলি নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা বেগম এর আগের নোটিশের জবাব দিয়েছেন এবং আবারো কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। এবার সন্তোষ জনক জবাব না দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

অপরদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাকিবুল হাসান জানান,এ বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে শাস্তি মুলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

অপরদিকে এবিষয়ে সাংবাদিকদের কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি প্রধান শিক্ষক মাহমুদা বেগম আর উক্ত বিষয় গুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ায় নিজেদের অপরাধ ঢাকতে সাংবাদিকদের ও উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ফেসবুকে একের পর এক বিভ্রান্তি মুলক পোস্ট করে যাচ্ছেন সাংবাদিক ফেরদাউস মিয়া মাস্টার।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}