গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুল হাসানের নিয়মতান্ত্রিক ভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় হতে বদলির আদেশ হওয়ার ঘটনাটি ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে সাংবাদিক নামধারী সুবিধাবাদি ফেরদাউস মিয়া। তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের পত্র ও পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে মোঃ কামরুল হাসানের যোগদানের তারিখ না দেখা মনগড়া ভাবে মিথ্যা ভিক্তিহীন তথ্য প্রকাশ করে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে কখনো সুবিধালীগের হোতা,আবার কখনো জামায়াতের চোতাখ্যাত ফেরদাউস মিয়া। যিনি পলাশবাড়ীতে একজন হলুদ সাংবাদিক ও শিক্ষক হিসাবে বেশ পরিচিত। তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকতা পেশা কে পুঁজি করে বিদ্যালয়ে অনউপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

পৌর শহরের গৃধারীপুর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসাবে তিনি বেতন ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা ভোগ করছেন। এ বিষয়ে গৃধারীপুর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম এ বিষয়টি সম্পর্কে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বিগত সরকারের সময়ে দৈনিক আমাদের নতুন সময় পত্রিকায় উপজেলা প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করেছেন।

বিগত সরকারের সময়ে সকল। সুযোগ সুবিধা ভোগ করে। ৫ আগস্টের পর নাইমুল ইসলাম খানের এ পত্রিকাটি নিষিদ্ধ হওয়ায় রাতারাতি ভোল্ট পাল্টে দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার প্রতিনিধি হিসাবে উপজেলা প্রশাসনের নিকট মহল্লাদার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকা অফিসের সংযোগ গড়ে তোলেন।

এরপর হতে তিনি বেপরোয়া হয়ে পড়েন প্রথমে পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কমিটি থাকার পরের দখলদারি ভাবে নিজেকে স্বঘোষিত উপদেষ্টা করে পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব দখল করেন। এরপর পলাশবাড়ী প্রেসক্লাব দখল বৈধ করতে নির্বাচনের আয়োজন করেন এ নির্বাচনকে ঘিরে পলাশবাড়ীতে সরকারি দপ্তর গুলো,ব্যবসায়ি সমিতি ও সাব রেজিস্টার অফিসের দলিল লেখক সমিতি হতে চাঁদা আদায় করেন।

কিন্তু বিধিবাম নির্বাচনে পরাজিত হয়ে প্রেসক্লাবের নির্দেশনা উপেক্ষা করে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। জানা যায়,উপজেলা শিক্ষা কমিটিতে স্ত্রী কে না রাখায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এদিকে নিজ স্বার্থ উদ্ধারে ব্যর্থ একজন গণমাধ্যমকর্মীর মনগড়া অপপ্রচারে বিব্রত কর পরিস্থিতিতে পরেছেন পলাশবাড়ী উপজেলার সাংবাদিক সমাজ। তারা ফেরদাউস মিয়ার এহেন অপকর্মের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তাকে সংশোধন হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

দৈনিক সংগ্রামের পরিচয় দিলেও পরিচয়পত্র বিহীন ফেরদাউস মিয়া পলাশবাড়ী পৌর শহরের গৃধারীপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত আব্দুল বারী মিয়ার ছেলে। পৌর শহরের গৃদারীপুর আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}