প্রতিবছরেই খৃস্টিয় নব বর্ষ পালনে রাত বারো টা এক মিনিট থেকে নতুন বছর কে স্বাগত জানাতে সারা বিশ্বে লোকে ধুমধাম করে পালন করে থার্টি ফাস্ট নাইট।যদিও এটা বিজাতীয় সংস্কৃতি কিন্তু তার পরেও আমাদের দেশে ও পালিত হচ্ছে খুব মহা সমারোহে ফানুস উড়িয়ে আতশ বাজি, পটকা ফুটিয়ে ,উচ্চ স্বরে মিউজিক বাজিয়ে অনেকে মদের বোতল খুলে এই উতসব উদযাপন করেন।
কিন্তু এই উতসবের বলি হতে হয় প্রতিবছর অগনিত নিরীহ প্রানী দের।যারা এই উচ্চ শব্দ সহ্য করতে না পেরে মারা যায়। অনেক পাখির বাসায় আগুন ধরে যায় উড়তে থাকা ফানুসের আগুনে।বয়স্ক এবং বাচ্চাদের অতি শব্দে হৃদ স্পন্দন বেড়ে যায়।তাদের ঘুমের ব্যাঘাত হয়।কেউ কেউ অতি উচ্চ শব্দে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। গতবছর একটা সুন্দর ফুটফুটে ছোট্ট শিশুর মৃত্যুর খবর সামাজিক মাধ্যমে খুব ভাইরাল হয়েছিল
একটা উতসব যদি অন্যের ক্ষতির কারন হয় তাহলে কি সেটা উতসব থাকে বলুন?
আপনি নতুন বছর কে স্বাগত জানাতে চান ঠিক আছে নিজ ঘরে বসে বসে করুন।বাইরে বেরিয়ে বেলাল্লা পনা করে কেন করবেন। কয়েকবার ই এরকম বেলাল্লা পনার মুল্য দিতে হয়েছে অনেক তরুনীকে সম্ভ্রম হারিয়ে। আবার অনেকে দল বল নিয়ে বেপরোয়া গাড়ি বা বাইক চালিয়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যু বরন করেন করেছেন,পংগুত্ব বরন করেছেন এমন সংবাদ ও আসে।
বহু ইসলামি আলেম মুস্লিম দেশে এটা পালন কে হারাম ফতোয়া দিয়েছেন।আমি ধর্মিয় আলোচোনায় যাচ্ছিনা।মানবিক দিক বিবেচনা করে অন্যের কস্ট যাতে না হয় সেটা মানুষ হোক কিম্বা অবলা প্রানী তাদের অসুবিধের কথা মাথায় রেখে উতসব পালন করুন।ক্রাকার্স না ফুটিয়ে এমনেই নিজ বাড়ির ছাদে বা ড্রয়িং রুমে হই চই করুন।বন্ধু বান্ধব নিয়ে আড্ডা দিন।বার বি কিউ করে খান।সহনিয় মাত্রার শব্দে মিউজিক শুনুন। আপনার পালিত উতসব যেন অন্যের বিষাদের কারন না হয়।