ফরিদপুর-১, তথা বোয়ালমারী, মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে খন্দকার নাসিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিএনপির হাইকমান্ডের নিকট পুনরায় অভিযোগ দায়ের। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে লেখা চিঠিতে খন্দকার নাসিরুল ইসলামের বিতর্কিত কর্মকান্ডের বিষয়ে ২৫ পৃষ্ঠার তথ্য উপাত্ত সংযুক্ত করা হয়েছে। বোয়ালমারির সন্তান অস্ট্রেলিয়া বিএনপি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. শাহাবুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে লেখা ঐ চিঠিতে ফরিদপুর ১ আসনের শীর্ষ ৪০ নেতাকর্মী স্বাক্ষর করেন।
যাদের মধ্যে ফরিদপুর জেলা মৎস্যজীবী দলের এক নম্বর যুগ্ম আহবায়ক শাহাবুদ্দিন মিয়া নিউটন, বোয়ালমারী বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জয়দেব রায়, মধুখালী বিএনপি নেতা ইউসুফ হোসাইন, আলফাডাঙ্গা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খুশবুর রহমান খোকন উল্লেখযোগ্য। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় দলীয় হাই কমান্ডের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও খন্দকার নাসিরের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড দিন দিন বেড়েই চলেছে।
এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ এখন অতিষ্ঠ। তাহার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ১। মানুষের জায়গা দখল ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের জান মালের উপরে হামলা এবং ভাঙচুর ২। সাংবাদিকের উপরে হামলা এবং বাড়িতে ভাঙচুর। ৩। বিরোধী মতের বিএনপি নেতাকর্মী, এমনকি সাধারণ মানুষকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি। ৪। বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কটুক্তি ৫। অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিএনপিতে পুনর্বাসন।
পরিশেষে, তদন্ত সাপেক্ষে খন্দকার নাসিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবার আকুল আবেদন জানানো হয়। অভিযোগের সত্যতার প্রমাণস্বরূপ জাতীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদন, জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার প্রতিবেদন, কল রেকর্ড এবং থানায় জিডির কপি সংযুক্ত করা হয়।