বাংলাদেশের ইতিহাসে মাওলানা ভাসানী এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি ছিলেন মজলুমদের নেতা।খেটে খাওয়া মানুষদের নেতা।মজলুমদের অধিকার আদায়ের জন্য তিনি তার জীবনের শেষ অবদি লড়াই করে গেছেন। তিনি ছিলেন অত্যাচারী জমিদারদের বিরোধী, তিনি ছিলেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরোধী, তিনি ছিলেন পাকিস্তানি শোষণের বিরোধী, তিনি ছিলেন ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধী। ৪৭ এর দেশভাগের পর পাকিস্তানি শাসকদের ১৯৫৭ সালের কাগমারী সম্মেলনে তিনি ” আসসালামু আলাইকুম ” বলে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রথম ডাক দিয়েছিলেন।সব সময় প্রতিবাদ করার জন্য তাকে নানা সময় নানা অপবাদ দেওয়া হয়েছে কিন্তু তিনি তার পরয়া করেননি।
তিনি কাজ করে গেছেন মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। আজ (২২ জানুয়ারী) এই মহান নেতা প্রথমবার স্বাধীন বাংলাদেশে ফেরত এসেছিলেন।১৯৭১ সালে পাক হানাদার ও তাদের দোসরেরা সন্তোষে তার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।যদিও মাওলানা ভাসানী চেয়েছিলেন সীমান্ত অঞ্চল ও টাংগাইলের চর অঞ্চলে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করতে কিন্তু সেটা আর সম্ভব হয়নি।এর পর তিনি ভারতে চলে যান এবং প্রবাসী সরকারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সমর্থন চালিয়ে যান এবং অভিভাবকের মতো আগলে রাখেন বাংলাদেশকে।দেশ স্বাধীন হলে ২২ জানুয়ারী তিনি বাংলাদেশে চলে আসেন এবং টাংগাইলের সন্তোষে চলে যান এবং সেখান থেকেই ততকালীন সরকার এবং ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যান।মাওলানা ভাসানীর বিপ্লবী চেতনা ছড়িয়ে যাক সকল অত্যাচারিত মানুষের মনে।