সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ে নিয়মনীতি উপেক্ষা করেই পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংকটাপন্ন (ইসিএ) এলাকাভুক্ত ডাউকি নদীর তীরবর্তী জুমপাড় এলাকায় পরিবেশ ধ্বংস করে রাতের আধারে ফেলুডার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের চলছে মহোৎসব।অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও মেলেনি কোন প্রতিকার।

স্থানীয়দের অভিযোগ,প্রশাসন নির্বিকার থাকায় পরিবেশ ধ্বংস করে পাথর উত্তোলন করছে প্রভাবশালীরা।এতে হুমকির মূখে রয়েছে, বালিবাড়ি মন্দির,পর্যটন স্পট,দোকানপাট,হোটেল মোটেল,বসতবাড়ি সহ ফসলী জমি অবশ্য এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেন জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার জাফলংয়ে পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংকটাপন্ন (ইসিএ)ভুক্ত এলাকা ডাউকি নদীর তীরবর্তী শ্রী শ্রী বালিবাড়ী মন্দিরের জুমপাড় ও পশ্চিম লাখের পাড় এলাকার।এভাবেই রাতের আধারে পরিবেশ ধ্বংস করে ফেলুডার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও মেলেনি কোন প্রতিকার। স্থানীয়দের অভিযোগ,প্রশাসন নির্বিকার থাকায় অবৈধ পাথর উত্তোলনের সাথে জড়িতরা অধরাই রয়ে গেছে।

ফলে সব নিয়মনীতি উপেক্ষা করে রাতের আধারে ফেলুডার মেশিন দিয়ে পরিবেশ ধ্বংস করে মন্দির’র জুম পাড়,নয়াবস্তী,কান্দুবস্তী, বল্লাপুঞ্জি,বাবুলের জুমসহ বিভিন্ন স্থানে মাটি কেটে পাথর উত্তোলন করছে প্রভাবশালীরা। এতে পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা বিনষ্ট হচ্ছে পাশা-পাশি হুমকির মূখে রয়েছে,শ্রী শ্রী বালিবাড়ি মন্দির,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ,মসজিদ,পর্যটন স্পট, ব্যাবসা-প্রতিষ্টান,বসতবাড়ি সহ ফসলী জমি।সচেতন মহলের ধারণা,মাটির গভীর থেকে ফেলুডার মেশিন দিয়ে বালু ও পাথর উত্তোলনের ফলে যেকোন সময় ভুমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দূর্যোগের কবলে গুটা জাফলং পৃথিবীর মানচিত্র থেকে বিলিন হয়ে যেতে পারে। এছাড়া অবৈধ পাথর উত্তোলন কাজে ব্যবহূত অসংখ্য ফেলুডার মেশিনের বিকট শব্দ ও মাটি খুড়াখুড়ির আঘাতেও জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীজ সম্পদও বিলুপ্ত প্রায়।তবে জাফলংয়ে অবৈধ বালু ও পাথর উত্তোলন বন্ধে দ্রতই অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানালেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা রতন কুমার অধিকারী।আর যথাযথ আইনী প্রক্রিয়া অনুস্বরণ করে প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা,ও পাথর লুটে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন জেলা প্রশাসক শের মোহাম্মদ.মাহবুব মুরাদ।

জাফলংয়ে অবৈধ বালু ও পাথর উত্তোলনের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের। স্হানীয়রা জানান প্রশাসন শুধু খেঁটে খাওয়া বারকি শ্রমিক এর উপর অভিযান পরিচালনা করে তাদের হেনস্থা করে বাস্তবে কিন্তু মূল হোতারা রয়ে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে।এই অবস্থা থেকে এলাকাবাসী পরিত্রাণ চায়।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}