নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার অতিথপুর এলাকার মল্লিককপুর গ্রামের মোঃ রুখন মিয়া নামে এক কৃষক তার জমিতে পানি দিতে না পারায় বোরো আবাদ সঠিকভাবে করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে।
কৃষক রুখন মিয়া তার লিখিত অভিযোগে লেখেন,
আমি একজন অসহায়, গরীব ও হত দরিদ্র কৃষক। আমি একজন সহজ সরল লোক হওয়ার কারণে আমাকে আমার আপন ভাই নূরুল ইসলাম টিপন আমাকে আমার পিতার সকল প্রকার ওয়ারিশ হইতে পেশী শক্তি দিয়ে জোরপূর্বক ভাবে আমাকে বঞ্চিত করে যাচ্ছে। আমার আপন ভাই নূরুল ইসলাম টিপন বর্তমানে রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তী দেখিয়ে আমাকে নানা দিকে থেকে বঞ্চিত করে যাচ্ছে। স্যার, মল্লিকপুর মৌজায় ২৬০৯ দাগে আমার নিজস্ব জমিতে নূরুল ইসলাম পল্লী বিদ্যুত সমিতির নিয়ম মোতাবেক একটি সেচ লাইন পরিচালনা করে আসছে। সেচ লাইন সম্পূর্ণ আমার দাগে ও আমার জমিতে স্থাপন করেছে। স্থাপনের পর থেকেই সে আমাকে আমার জমিতে পানি দেয় না।
আমার জমিতে পানি না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে সে আমার জমিতে পানি দিবে বলে জানায়। আমি পানি না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে সে আমাকে আরো উল্টো হুমকী ধমকী প্রদর্শন করে। এমনকি আমাকে সে মারপিঠও করে। আমি নিরুপায় হয়ে আমার ভাই নূরুল ইসলাম টিপনের কোন বিচার পাইনি। স্যার, আমি একজন সহজ সরল ও অসহায় মানুষের দিকে তাকিয়ে আমার ভাইয়ের এহেন অসদ আচরণে সঠিক বিচারের দাবীতে আপনার নিকট জোর আবেদন পেশ করছি। আমার জমিতে হইতে আমার ভাই নূরুল ইসলাম টিপনের সেচ লাইনটি বন্ধ করার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন পেশ করছি।
এব্যাপারে অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম টিপন মিয়া জানান, আমাদের ভাগের সম্পত্তি আমাদের পিতার কাছ থেকে রুখন মিয়া একা কৌশলে লিখে নিয়েছিলেন।
অপরদিকে রুখন মিয়া জানান, আমি আমার পিতার চিকিৎসা ও ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করেছি সবসময়। তাই তিনি আমাকে সমস্ত সম্পদ উনার নিজ ইচ্ছায়, স্বজ্ঞানে লিখে দিয়ে গেছেন। এখন আমার বৈধ সম্পত্তিতে আমি বমার চাষাবাদ করতে পারছি না।
এবিষয়ে বারহাট্টা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা খবিরুল আহসান শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) বেলা ৪ টা নাগাদ জানান, অভিযোগটি আমরা তদন্ত করছি। যাচাই-বাছাই করে যথাযথ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।