একটা সময় আবাদি জমিতেই ফুল-ফল ও বনজগাছের বাগান গড়ে উঠলেও এখন নগারয়নের প্রভাবে নেত্রকোণায় কিছু কিছু বাড়ির ছাদে গড়ে উঠেছে বাগান। দেশি-বিদেশি হরেক রকম ফল ও ফুল শোভা পাচ্ছে এসব ছাদবাগানে।
শখের বশে বছর তিনেক আগে ছাদবাগান করা শুরু করেন গৃহিণী কানিজ ফাতিমা তন্নী। তিনি নেত্রকোণা জেলা শহরের ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা। শুরু থেকেই ইন্টারনেট এর সহযোগিতায় তার ছাদবাগানের কার্যক্রম চলতে থাকে। বর্তমানে তার ছাদ বাগানে লাউ, ঝিঙ্গা, করলা, শিম, শসা, বেগুন, টমেটো, ক্যাপসিকাম মরিচ, আম, আনার, লেবু, মাল্টা, জাম্বুরা, পেয়ারা, বরই, আঙ্গুর,বেরীসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফল ঝুলছে গাছের প্রতিটি ডালের থোকায় থোকায়।
তেমনি বেড়ে ওঠা ৭৫ জাতের বাগানবিলাস, ২০০ জাতের কাটামুকুট, ৮০ জাতের গোলাপ,২৫ জাতের কাঠগোলাপ, ১২ জাতের এডিনিয়াম,১২ জাতের ট্রপিক্যাল জবা, ৮ জাতের অস্ট্রেলিয়ান জবা, ৫০ জাতের নয়নতারা, ২০০ রকমের লিলি, ১০০ রকম ইনডোর প্ল্যান্ট ফুল গাছের সৌন্দর্য ছড়ানোর পাশাপাশি বনজগাছের ছায়ায় শীতল থাকছে বাড়ির ছাদবাগানটি।
বাহরাইন প্রবাসী গৃহিণী কানিজ ফাতিমা তন্নী জানান, ছাদবাগানটিতে উৎপাদিত এসব ফরমালিনমুক্ত সবজি ও ফল যেমন আমাদের পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করছে পাশাপাশি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয়ও হচ্ছে। এবাগানটিতে এখনও পর্যন্ত ৬ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার মত বিনিয়োগ করেছি। মূলত প্রতি মাসের হাত খরচের টাকা থেকে সঞ্চয় করে এ বাগানে বিনিয়োগ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, এই বাগান পরিচর্যা করতেই বাহরাইন থেকে প্রায়শই দেশে চলে আসেন। ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে ছাদবাগান করে পুরোপুরি বাণিজ্যিক ভাবে করবেন বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।