তিস্তা প্রকল্পের আওতায় চীন উপহার হিসেবে ১০০০ শয্যাবিশিষ্ট একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন করবে বাংলাদেশে। এই মর্মে একটি প্রস্তাবনা এসেছে বলে জানিয়েছেন বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা।
রংপুর বিভাগের তিস্তা অঞ্চলে এটি নির্মিত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এতে তিস্তা নদীর অববাহিকায় নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলা, রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া, হারাগাছ উপজেলা, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার সকল উপজেলাসমূহ ও গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ ও সাদুল্লাপুর উপজেলার বৃহৎ জনগোষ্ঠী ও চরাঞ্চলের মানুষগুলো স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা নিতে পারবে।
প্রত্যাশিত ১০০০ শয্যার হাসপাতালটি কুড়িগ্রাম জেলায় স্থাপনের জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি জানাচ্ছেন।
এব্যাপারে কুড়িগ্রাম নদী রক্ষা ও চর উন্নয়ন আন্দোলন এর প্রধান নির্বাহী ও সমন্বয়কারী এবং স্পেশাল প্রসিকিউটর (এসিস্ট্যান্ট এটর্নি জেনারেল) বিডিআর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ঢাকা, এড. এস.এম. নুরে এরশাদ সিদ্দিকী জানান, যেহেতু কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলায় কোন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেই, সেহেতু এই দুটি অবহেলিত জেলার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কথা চিন্তা করে চীন বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হসপিটালটি লালমনিরহাট জেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের তিস্তা জংশন এলাকা অথবা কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়নের তিস্তার চরে নদী শাসনের মাধ্যমে স্থাপিত হোক!
এতে রংপুরের তিস্তা নদীর অববাহিকার উপজেলাসমূহের মধ্যস্থান হিসেবে উল্লেখিত স্থান দুটি যৌক্তিকভাবে যেমন আলোচনায় আসবে, তেমনি নিকটবর্তী জেলা হিসেবে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলা দুটি উপকৃত হবে বলে তিনি মনে করেন।
এছাড়াও নৌ এম্বুলেন্স চালু করলে চরাঞ্চল বেষ্টিত অন্যান্য এলাকাগুলোকে নৌপথে কানেক্ট করা যাবে।