গাইবান্ধায় মিশুক চালক আনিছুর রহমান ঠান্ডা হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার (১ মে) রাতে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে এই মামলায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সদর উপজেলার বানিয়াজান এলাকার কবির আলম (২৭) ও থানশিনপুর কাচারি গ্রামের রাসেল মিয়া (২৮), সাদুল্লাপুর উপজেলার বুজরুক পাটানোছা গ্রামের শহিদুল ইসলাম (৪০) ও রসুলপুর গ্রামের রাশেদ মণ্ডল (৪২)। এর আগে গত ২৭এপ্রিল সন্ধ্যায় একই মামলায় আরিফ মিয়া নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গাইবান্ধা শহরের ডেভিড কোম্পানিপাড়ার বাসিন্দা।

শুক্রবার (২ মে) দুপুরে রংপুরের হাজিরহাটে র‍্যাব-১৩-এর সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটালিয়নটির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহা. জয়নুল আবেদীন এ তথ্য জানান। পরে র‍্যাবের মিডিয়া সেলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আনিস হত্যার বিষয়ে র‍্যাব-১৩-এর একাধিক দল ছায়া তদন্তে নেমে জড়িত ব্যক্তিদের প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করে। এর মধ্যে গ্রেপ্তার রাশেদ মণ্ডলের গ্যারেজ থেকে ছিনতাই হওয়া অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, দস্যুতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কিশামত ফলিয়া গ্রামের বাসিন্দা আনিস মিয়া গাইবান্ধা শহরে সংবাদপত্র ফেরি
করে বিক্রি করতেন। পাশাপাশি বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি অটোরিকশা চালাতেন।

২৫ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে গাইবান্ধা শহরের রেলগেট এলাকায় কয়েকজন দুর্বৃত্ত যাত্রী বেশে আনিসের অটোরিকশায় ওঠে। জেলা স্টেডিয়ামের দিকে যাওয়ার পর তারা আনিসকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার পর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পরদিন আনিসের স্ত্রী সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}