কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন চুয়াডাঙ্গা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় নবীনদের ক্রেস্ট এবং বিদায়ীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

শনিবার (৩ মে) বেলা ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনের (টিএসসিসি) ১১৬ নং কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাশেদুল ইসলাম রাশেদ ও মারিয়া মিমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল ইসলাম, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাফিজুর রহমান, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রবিউল হক, ফার্মেসী বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাঃ মিজানুর রহমান, ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মমিনুল ইসলাম এবং জেলার অন্যান্য শিক্ষার্থীবৃন্দ।

সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, “ক্যম্পাসে আমরা একটা পরিবার স্বরূপ আর শিক্ষকমন্ডলী হলো অভিভাবক স্বরুপ। ক্যাম্পাসের যে কোনো প্রয়োজনে আমরা একে অপরের পাশে দাঁড়াবো, সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো। জেলা কল্যাণের প্রতি সকলের দায়িত্বশীল আচরণ আমাদের পরিবারকে অনেক দূর নিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।”

সংগঠনের সভাপতি মেহেদী হাসান রিদয় বলেন “আজকে শুধুমাত্র নবীনবরণ এবং প্রবীণ বিদায় নয় বরং এটি আমাদের অনন্য মিলনমেলা। আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও গভীর ও দৃঢ় করতে আজকের আয়োজন। এই সম্পর্ক শুধু আজকের আয়োজনে সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং আগামী দিনগুলোতে আরও বিস্তৃত হবে। আমাদের এই বন্ধন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও শক্তিশালী হবে, যা আমাদের একতা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করবে। নবীণরা তাদের স্বপ্ন ও লক্ষ্য পূরণের পথে এগিয়ে যাবে, প্রবীণরা নতুনদের অনুপ্রেরণা জোগাবে এই প্রত্যাশা নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।”

অধ্যাপক ড.  মোহা. মিজানুর রহমান বলেন, “জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি কেন গঠন করা হয় আমাদের জানতে হবে। আমরা নিজেরদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারি, যাতে একে অপরের সহযোগিতা করতে পারি। ক্যাম্পাসের ভিতরে লেখা পড়ার পরিবেশ সমুন্নত রাখার জন্য আমরা যদি সবার সাথে কানেক্টেড থাকি, নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করি তাহলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরো দৃঢ় হবে। ক্যাম্পাস চুয়াডাঙ্গা জেলার কাছাকাছি হলেও আমাদের একত্র থাকতে হবে।”

উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গা জেলা থেকে পড়তে আসা সকল ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সু-সম্পর্ক গড়ে ওঠার লক্ষ্যে ও মানসিক অবসাদ দূরীকরণের উদ্দেশ্যে এমন আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিন সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়ে দুপুরে খাওয়া দাওয়া পরবর্তীতে পুরস্কার বিতরণ সহ ছোট করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল।

 

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}