গাইবান্ধার চাপাদহ এতিমখানা দ্বি-মুখী দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহায়ক পদে চাকুরীর জন্য দেয়া টাকা ফেরৎ পেতে হয়রানি করা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ ভুক্তভোগী ছকু মিয়ার। আমার কাছে এক টাকাও পাবে না বললেন, মাদ্রাসা সুপার আমিনুল ইসলাম।

ভুক্তভোগী ছকু মিয়া সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের উত্তর কুপতলা গ্রামের মৃত ইয়ার মামুনের পুত্র।

ছকু মিয়ার অভিযোগ, সম্প্রতি ২ বছর পূর্বে ওই মাদ্রাসায় অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলে ছেলে ইউনুছ আলীকে আবেদন করান। আবেদনের ৮/৯ মাস পর ছেলের নিয়োগ নিশ্চিত করতে সুপার আমিনুল ইসলামের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সাড়ে ১১ লাখ টাকা ঠিক হয়। এ মোতাবেক অগ্রিম দু’দফায় ২ লাখ টাকা দেন। পরবর্তীতে নিয়োগ দিতে না পারলে সুপার আমিনুল ইসলাম ৭৫ হাজার টাকা ফেরৎ দিলেও বাদবাকী টাকা ফেরৎ দিতে হয়রানি করে আসছেন।

বিষয়টি নিয়ে সুপার আমিনুল ইসলামের সাথে কথা হলে জানান, ছকু মিয়ার পুত্র ইউনুছ আলীসহ আরও অনেকেই প্রার্থী হয়ে আবেদন করে ছিলেন। কিন্তু অনিবার্য কারণে নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে এ নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে ছকু মিয়ার সাথে কোন চুক্তিবদ্ধ কিংবা তার কাছ থেকে কোনো টাকা পয়সা নেয়া হয়নি। এ অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}