গাইবান্ধায় কামারজানীর অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের ইন্ধনে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠিত এ প্রতিবাদ সমাবেশে দ্রুত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন বক্তাগণ। রোববার (৮ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার কামারজানী বন্দরে ছাত্র ও সুধীসমাজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ ইকবাল হোসেন। বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কামারজানী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মাওলানা ক্বারী মোঃ রেজাউল করিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কামারজানী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মোঃ মাজু আহম্মেদ, ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মোঃ জাভেদ হোসেন বকুল, বিশিষ্ট সাংবাদিক মোঃ সাদ্দাম হোসেন পবন, ইউনিয়ন বিএনপি’র সহসভাপতি মোঃ জহুরুল ইসলাম, ছাত্রনেতা মোঃ আসাদ মাহমুদ দীপু প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, শুধু মাত্র অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করার কারনে ইউনিয়নের বিশিষ্ট নাগরিকদের নামে দু’টি হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। একটি সরাসরি বালুদস্যু নিজেই বাদী হয়ে দিয়েছেন। অপরটি অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের ইন্ধনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন নেতা নাশকতা মামলা দেয়, সেই মামলায় আসামী করা হয়। বক্তারা আরও বলেন, শুধুমাত্র অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য এই মামলাগুলো দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে।
যেখানে সরকারী চাকুরীজীবি, ইউনিয়ন যুব জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি, সাবেক শিবির নেতাকে আসামী করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে যারা স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সরাসরি যুক্ত ছিল তাদের নামে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতার দায়ের করা মামলায় নাম দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা হতাশ হয়েছি। মামলার বাদী কাকে খুশি করার জন্য এই নেক্কারজনক কাজ করেছেন তা আমরা বোধগম্য নই। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে বৈষম্য বিরোধী নেতার করা মামলা থেকে এই ৪ জনের নাম প্রত্যাহার করাসহ, মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা প্রত্যাহার করা না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।