যশোরের কেশবপুর কালো মুখো হনুমান আসার পর আমার বাচ্চাদের সাথে তাদের পরিচয় হয়ে গেছে। যদিও খুব কাছে যেতে এখনো হালকা ভয় কাজ করে কিন্তু ভালোবাসার কোন কমতি নেই।
কেশবপুর উপজেলা পরিষদ ও ইউএনও বাংলোর সীমানা দেয়াল ও ছাদ, কেশবপুরের পশু হাসপাতাল, রামচন্দ্রপুর, ব্রক্ষকাটি, বালিয়াডাঙ্গা, মধ্যকূল ও ভোগতী গ্রামে এদের বিচরণ বেশি। এরা সাধারণত একজন পুরুষ হনুমানের নেতৃত্বে দলবদ্ধভাবে চলাচল করে। প্রতিটি দলে ১০/১৫ থেকে ৩০/৪০টি হনুমান থাকে। এদের প্রতিটি সদস্য দলপতির নির্দেশ মেনে চলে। এরা খাদ্য অন্বেষণে সারাদিন চলাফেরা করে। এরা সচরাচর উঁচু গাছপালা পরিবেষ্টিত বনে, গাছের মগডালে নিরাপদ আশ্রয়ে রাত্রিযাপন করে।
পেঁপে, আম, কলা, সফেদা, মূলা, আলু, বেগুন, শাকসবজি, কচিপাতা, বিস্কুট, বাদাম,পাউরুটি ইত্যাদি এদের প্রিয় খাবার।এই ঐতিহ্যবাহী বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীটি রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।