গাইবান্ধায় জমি-জমা নিয়ে বিরোধে মিথ্যা ওয়ারিশ সম্পর্ক দাবী করে আদালতে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে মর্মে মামলার বিবাদী সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম আকন্দের অভিযোগ। বিবাদী সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম আকন্দ উপজেলার বজরা হলদিয়া গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর পুত্র। অভিযোগে জানা গেছে, বজরা হলদিয়া গ্রামের প্রতিপক্ষ মৃত নাইব উদ্দিনের পুত্র সুলতান আলীগং গত ১৪-০৫-২০১৫ ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালতে একটি স্বত্ব বাটোয়ারা মামলা (নং ৯৫/২০১৫) দায়ের করেন। মামলার বিবাদী সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম আকন্দের দাবী, প্রতিপক্ষ সুলতান আলীগং এর সাথে তাদের কোন ওয়ারিশ সম্পর্ক নেই। সিএস ২৬৪ নং খতিয়ান ভুক্ত ৩.৪২ একর জমিতে সিএস প্রজা মশর উল্যা।।, বেঙ্গু শেখ, জমির শেখ, কফিল শেখ, গেন্দা শেখ, ইমান শেখ প্রত্যেকে /১।।৯ অংশে দেলজান বেওয়া /. অংশে মানিকজান বিবি ১০দ৫ অংশে স্বত্ববান ও দখলকার থাকা কালে নালিশী জোতের সমুদয় অংশে বিবাদীগনের মৌরশ আব্বাস আলীর নিকট হস্তান্তর করায় আব্বাস আলী নালিশী ১ আনা জোত জমিতে স্বত্ববান ও দখলকার হয়ে নালিশী জোতের মধ্যে রহিমা খাতুনকে .৫৬ শতক ও তছর উদ্দিন মুন্সিকে .৩৩ শতক জমি বরাবরে পত্তন প্রদান করায় তছর ও রহিমা খাতুনের নিকট হতে খাজনা গ্রহণ করে পত্তন সূত্রে হস্তান্তর করেন। এতে রহিমা খাতুন নামে আরএস ৩৩০, তছর উদ্দিন মুন্সির নামে আরএস ৩৩১ এবং আব্বাস আলীর নামে আরএস ৩৩২ নং খতিয়ান যথারীতি শুদ্ধভাবে প্রস্তুত হয়।নালিশী জোতের মধ্যে ৩.৪২ (৫৬+৩৩) =২.৫৩ একর জমিতে বিবাদীর মৌরশ আব্বাস আলী আকন্দ নিরঙ্কুশ স্বত্ববান ও দখলকার থাকাকালে আব্বাস আলী নালিশী জোতের (৫৬+৩৩)=৮৯ শতক জমি বাবদ ২৮.৯১ খেসারত গ্রহণ করে নিজাংশে অবশিষ্ট ২.৫৩ একর জমিতে আব্বাস আলী স্বত্ববান ও দখলিকার থাকাকালে আব্বাস আলী মারা যান।
এমতাবস্থায় বিবাদীগণ ওয়ারিশমূলে স্বত্ববান দখলিকার থাকে এবং নালিশী জোতে ২.৫৩ একর জমির খাজনা যথারীতি পরিশোধ করে আসছেন। এ মামলার অপর বিবাদী রওশন আলী আকন্দ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌ: কা: বি: মতে ১৪৪/১৪৫ ধারায় ৩৫৮/১৫ নং একটি পিটিশন মোকদ্দমা দায়ের করলে এই বিবাদীর দখল প্রমাণিত হওয়ায় অত্র মোকদ্দমায় বাদীগণকে নালিশী জমিতে প্রবেশে বারিত করে অত্র মোকদ্দমায় বাদীগনের বিরুদ্ধে প্রসেডিং ড্রন করা হয়। পরবর্তীতে বাদী সুলতান আলী বিবাদীগনের বিরুদ্ধে একই আদালতে ৫৭/১৬ নং পিটিশন মোকদ্দমা দায়ের করেন। এতেও এই বিবাদীর দখল প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তা নথিজাত/খারিজ করেন। বাদীগণ প্রকৃত সত্য গোপন করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম আকন্দসহ অন্যান্য বিবাদীগণ বিজ্ঞ আদালতের কাছে জমির সঠিক কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন।