গাইবান্ধায় পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ভোগদখলীয় জমিতে ধান ও মৎস্য চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করলেও প্রতিপক্ষের বাধার কারণে বিপাকে পড়েছেন ভুক্তভোগী আঙ্গুর আলী। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয়ে অভিযোগ দিয়েও হতে হচ্ছে হয়রানির শিকার।
ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর (সুপারির ভিটা) গ্রামে। ভুক্তভোগী আঙ্গুর আলী ওই গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র।
ঘটনার আদ্যোপান্ত ও অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী আঙ্গুর আলী গোবিন্দপুর মৌজায় ১২ শতাংশ জমি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ভোগ দখল করে আসেন। এমতাবস্থায় গত মৌসুমে ওই জমির ৫ শতাংশ পুকুরে মৎস্য চাষ অবশিষ্ট ০৭ শতাংশে হিরা ২ জাতের ধান রোপন করে ছিলেন। গত ২৯/০৪/২০২৫ ইং তারিখ বিকেল সাড়ে ৩টায় একই গ্রামের প্রতিপক্ষ মৃত রফিক সরকারের পুত্র আঃ সবুর মুন্সিগং অযথা ওই জমি মিথ্যা দাবী করে বিরোধ সৃষ্টি করে রোপিত ০৭ শতাংশ জমির ধান চুরি করে কেটে নিয়ে যায়। একই সাথে মৎস্য পুকুরে মাছ ধরতে বাধা নিষেধ করে।
আঙ্গুর আলীর দাবী, এ ঘটনায় এ দিন গাইবান্ধা সাদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেন। ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ গত ১৬-০৪-২৫ ইং তারিখে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে জমি পরিমাপ করে বিষয়টি নিষ্পত্তির আশ্বাস দিলেও অদ্যাবধিও পরিমাপ না করে সময় ক্ষেপন করে আসছেন। ফলে তিনি বিচারের নামে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
বিস্তারিত জানতে ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে জানা যায় তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।