ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কালঘড়া গ্রামের কৃতি শিক্ষার্থী “মেহেরুন্নেসা কেয়া”। সে ঢাবিতে ফিলোসফি ডিপার্টমেন্ট এ তৃতীয় স্থান অর্জন করে গ্রাজুয়েশন শেষ করে এখন মাস্টার্সে অধ্যায়নরত । সে “ডাকসু নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এর প্যানেল হতে কেন্দ্রীয় সদস্য পদে মনোনয়ন পেয়েছে”। এতে তার পরিবারের সবাই আনন্দিত। আজ তার বাবার মুখে অনেক দিন পর তৃপ্তির হাসি । ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন আস্থাভোটের মাধ্যমে দেশের জনগনের কাছে জানতে চান উনার প্রতি এবং উনার দ্বারা গৃহীত নীতি ও কার্যক্রমের প্রতি জনগণ আস্থাশীল কিনা, সে সময়ে অষ্টম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় “জনাব বাশারুল আলম শাহ কামাল” বিএনপি-কে ভালোবেসে ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।

পরবর্তীতে নবীনগর উপজেলা, বিএনপির নির্বাহী কমিটি থেকে শুরু করে রাজনীতির বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদে থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। উনার হাত ধরেই বিএনপির রাজনীতিতে তার তিন সন্তানের হাতেখড়ি এবং এই তিন সন্তানের একজন মেহেরুন্নেসা কেয়া ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।এ বিষয়ে মেহেরুন্নেসার বড় ভাই মেহেদী হাসান রবি বলেন বড়ভাই হিসেবে দোয়া করি ইনশাআল্লাহ আমার বোন যেনো আমার বাবার শেখানো আদর্শ ধরে রেখে বিজয়ী হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারে। আমি জানি সে পারবে। সবার কাছে তার জন্য দোয়ার দরখাস্ত রইল।

Facebook Comments Box
#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}